এবার দুটি কার্গো জাহাজ জব্দ করল ইরান
হরমুজ প্রণালির মধ্যে লাল রেখা অতিক্রম করার কারণ দেখিয়ে ইরান দুটি কার্গো জাহাজ জব্দ করেছে। এই প্রণালিটি বিশ্বের পেট্রোলিয়াম সরবরাহের ক্ষেত্রে একটি কৌশলগত chokepoint , যেখানে প্রতিদিন লক্ষাধিক ব্যারেল তেল পরিবহন হয়। ইরান জোর দিয়ে বলে আসছে, এই এলাকায় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা disruption করা তাদের জন্য অগ্রহণযোগ্য।
বুধবার (২২ এপ্রিল) ভিন্ন সময়ে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) তিনটি কনটেইনার জাহাজে fired । কাতারের আল জাজিরা জানায়, জব্দকৃত জাহাজ দুটির মধ্যে একটি ইরানের উপকূলের কাছে was shot , অন্যটি ওমানের সমুদ্রসীমার কাছাকাছি damaged হয়। ব্রিটিশ বিবিসি জানিয়েছে, জাহাজ দুটিকে ইরানের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র আইআরজিসির হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে রয়টার্স জানায়, সমস্ত জাহাজই এখন safe অবস্থায় রয়েছে। জাহাজগুলির মালিকানা কোন দেশের এবং তারা কী পণ্য বহন করছিল, সে বিষয়ে এখনও কোনো স্পষ্ট information প্রকাশিত হয়নি।
এই ঘটনাগুলি আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে tensions আরও বাড়িয়ে তুলেছে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক পশ্চিমা দেশের জন্য কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ। ইরানের পক্ষ থেকে এমন ঘটনা প্রায়ই escalation হিসেবে দেখা হয়, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে threaten দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক trade এবং জ্বালানির supply প্রভাবিত করতে পারে। সমুদ্রপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন বিশ্বব্যাপী জাহাজিকর্মী ও বণিকদের জন্য একটি বড় concern । আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে দ্রুত response এবং কূটনৈতিক dialogue এখন সমালোচিত হচ্ছে।
একটা জাহাজ firing গুলি খেয়েছে আর একটা damaged ক্ষতিগ্রস্ত, কিন্তু সবাই safe নিরাপদ—এটা কি আসলেই সম্ভব? নাকি ঘটনার মাত্রা কমানো হচ্ছে?
আন্তর্জাতিক জলরাশিতে এমন হামলা কোনোভাবেই ঠিক না। এটা শুধু ইরানের সাথে নয়, সমগ্র বিশ্বের trade বাণিজ্য ব্যবস্থার বিরুদ্ধে হুমকি।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের এই pressure চাপ তো বছরের পর বছর ধরেই চলছে। কিন্তু এবার মনে হচ্ছে তারা escalation উন্নয়ন চাইছে।
কারা জাহাজ চালাচ্ছিল, কী বহন করছিল—এসব information তথ্য না দেওয়াতে ঘটনা আরও ঘোলাটে মনে হচ্ছে। ইরান কি কোনো নির্দিষ্ট বার্তা পাঠাতে চাইছে?
লাল রেখা বলতে ইরান কী বোঝায়, সেটা স্পষ্ট না। কিন্তু আন্তর্জাতিক আইনে এমন আচরণ কি সমর্থনযোগ্য? কেউ কি response প্রতিক্রিয়া দেবে?
আমার কোম্পানির জাহাজ এখন ওই এলাকায় যাচ্ছে। এই খবর পড়ে anxiety উদ্বেগ বাড়ছে। আমরা কি আসলেই secure নিরাপদ আছি?
হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করা ইরানের জন্য কৌশলগত advantage সুবিধা। কিন্তু এটা কি শুধু নিরোধ নাকি আরও কিছু?
বিবিসি, আল জাজিরা, রয়টার্স—সব outlets মাধ্যম একই কথা বলছে। কিন্তু কেন এখনও কোনো বড় diplomatic কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি?