কংগ্রেস-তৃণমূল মহিলাদের জন্য বিপজ্জনক, বাংলায় আমার নৃত্যানুষ্ঠান বন্ধ করেছে: ময়নাগুড়িতে ড্রিমগার্ল
নারীদের জন্য কংগ্রেস এবং তৃণমূল উভয় দলই dangerous , এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন বিজেপির তারকা প্রচারক হেমা মালিনী। ময়নাগুড়িতে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি অভিযোগ তুললেন যে, পশ্চিমবঙ্গে গত কয়েক বছরে তাঁর নৃত্যানুষ্ঠানগুলি বারবার cancelled করে দেওয়া হয়েছে। এটি শুধু তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নয়, বরং এর মধ্যে দিয়ে তিনি সংস্কৃতি ও freedom উপর চাপের কথা তুলে ধরেছেন।
হেমা মালিনী বলেন, "আগে বারবার বাংলায় এসেছি, কিন্তু গত 7-8 বছর ধরে আমার events বাতিল করা হয়েছে।" এই দাবি তাঁর কেবল নাটকীয় নয়, এর মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক সমালোচনার তীব্র সুর। তিনি দাবি করেন, এই দলগুলি women's safety নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং মহিলা সংরক্ষণ বিলও পাশ হতে দেয়নি।
ভোটপ্রচারের শেষ পর্বে হেমা মালিনীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। হেলিকপ্টারে করে সভাস্থলে পৌঁছানোর পর তাঁকে ঘিরে উপচে পড়ে ভিড়। কর্মীরা chanting করে তাঁকে স্বাগত জানায়, "জয় শ্রী রাম"। তাঁর বক্তৃতার শুরুটা হয় ঐতিহ্যবাহী স্লোগান দিয়ে—"ভারত মাতা কি জয়, রাধে রাধে"। এটি শুধু সাংস্কৃতিক প্রকাশ নয়, রাজনৈতিক symbolism অংশও।
তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, রাজ্যে কর্মসংস্থানের crisis এবং অনুপ্রবেশের মতো গুরুতর ইস্যু উপেক্ষিত হচ্ছে। এছাড়া কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারতের মতো প্রকল্প রাজ্যে কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। তাঁর নিজের লোকসভা কেন্দ্র মথুরার উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিজেপি সরকারের কার্যকালে সেখানে development হয়েছে ব্যাপক।
বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছে, এমন তারকা প্রচারকদের উপস্থিতি দলের জনপ্রিয়তা বাড়াচ্ছে। নেতা বাপি গোস্বামী বলেন, "হেমাজি আমাদের inspiration ।" কিন্তু এখন প্রশ্ন, এই অনুপ্রেরণা কি ভোটবাক্সে রূপ পাবে? হেমা মালিনী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, "বিজেপিকে ভোট দেওয়া মানে আমাকে ভোট দেওয়া।"
আসল কথা হলো, একজন শিল্পীর অনুষ্ঠান বারবার বন্ধ হওয়ার পিছনে রাজনৈতিক কারণ আছে কিনা। এটা কি শুধু cancellation বাতিল নাকি সত্যিই চাপ?
হেমা মালিনী বলছেন নারীদের জন্য তৃণমূল বিপজ্জনক, কিন্তু নিজে বিজেপির পক্ষে প্রচার করছেন—এটা কি অসঙ্গতি নয়?
আমি একজন নৃত্যশিল্পী। যদি কোনো রাজ্যে আমার অনুষ্ঠান বারবার বন্ধ করা হয়, তাহলে আমি নিশ্চয়ই protest আপত্তি জানাব।
ভোটের সময় তারকাদের প্রচারে নামানো হয়ই। কিন্তু এটা কি সত্যিই impact প্রভাব ফেলবে জনগণের ওপর?
মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে তো বছরের পর বছর আলোচনা হচ্ছে। দলগুলো যদি সত্যিই গুরুত্ব দিত, তাহলে এখন পর্যন্ত পাশ হয়ে যেত।
হেমা মালিনী আজও জনপ্রিয়, কিন্তু সেই জনপ্রিয়তা কি রাজনৈতিক support সমর্থন হয়ে উঠবে?
উত্তরবঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ হওয়া নিয়ে নতুন কিছু নয়। কিন্তু এর মধ্যে দিয়ে যে tension উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে, সেটা ভাবার বিষয়।
একজন নারী সাংসদ হয়েও তিনি নারী সুরক্ষার বিষয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে কথা বলছেন—এটা কি নারী ক্ষমতায়ন নয়?