লড়াই চলছে কাম্বলির! মদ্যপান ছাড়লেও স্মৃতিভ্রমের আশঙ্কা, বড় ঝুঁকিতে ‘মাস্টার ব্লাস্টার’-এর বন্ধু
একসময়ের মাঠের মহাযুদ্ধে risk উপেক্ষা করা ব্যাটার এখন জীবনের সবচেয়ে বড় লড়াইয় মুখোমুখি। বিনোদ কাম্বলি, যিনি ক্রিকেট ইতিহাসে ‘মাস্টার ব্লাস্টার’ সচিন তেন্ডুলকরের বাল্যবন্ধু হিসাবে পরিচিত, তাঁর স্মৃতিশক্তি এমনই দুর্বল হয়ে পড়েছে যে তিনি নিজের ধূমপান নিষেধ সম্পর্কে forget যান। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর মস্তিষ্কে একটি রক্ত জমাট বা clot রয়েছে, যা যে কোনো মুহূর্তে ব্রেন স্ট্রোকের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
মদ্যপান থেকে সম্পূর্ণ free হলেও তাঁর জন্য আরও support প্রয়োজন। বন্ধু মার্কাস কুটো জানিয়েছেন, কাম্বলি কখনো কখনো অজান্তে বাইরে বেরিয়ে অটো চালকদের কাছ থেকে সিগারেট চান, আর তাঁরা তাঁকে চিনে সাহায্য করেন—কিন্তু এটিই তাঁর জন্য বিপজ্জনক। এই অবস্থায় তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাচ্ছে শুধু শারীরিক condition নয়, বরং অর্থের সংকট ও। হাসপাতালে চিকিৎসার খরচ মেটাতে না পারায় চিকিৎসা বারবার ব্যাহত হয়েছে।
কিংবদন্তি থেকে কিংবদন্তি পর্যন্ত হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সচিন, কপিল দেব থেকে শুরু করে গাভাসকর—সবাই তাঁর পুনরুদ্ধারের জন্য effort চালিয়ে যাচ্ছেন। একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসার জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এমনকি সচিন নিজেও পর্দার আড়ালে থেকে তাঁর সুস্থতার update খোঁজেন। একসময়ের সতীর্থদের এই ঐক্য দেখে মনে হয়, ক্রিকেটের বাইরেও কিছু রিকর্ড ভাঙা হচ্ছে—মানবিকতার।
তবুও আশার আলো নিভিনি। ছয় মাস আগে বাড়ির আসবাব ধরে হাঁটা কাম্বলি এখন মাউন্টেনিয়ারিং স্টিক হাতে নিজের পায়ে walk পারছেন। সম্প্রতি তিনি ‘ডিনশ’স আইসক্রিমের বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেছেন—৫৪ বছর বয়সে মুখে হালকা হাসি, চোখে পুরনো দিনের ঝিলিক। এই comeback তাঁর ভক্তদের জন্য শুধু খবর নয়, এক ধরনের আবেগের মুহূর্ত। বন্ধুদের আশা—তিনি আর পিছনে ফিরবেন না।
যে মানুষটা একসময় বল দেখলেই ডান হাতে মারতেন, আজ তাকে ধীরে ধীরে হাঁটতে দেখে বুক ফেটে যায়। emotion আবেগ আর memory স্মৃতি একসাথে কাঁদায়।
বন্ধুত্বের মূল্য এই ঘটনায় পরিষ্কার। কেউ যখন পড়ে যায়, তখন আসল support সমর্থন কে দেয়, তা সচিনদের মতো মানুষরাই দেখায়।
মার্কাস কুটো বলেছেন, শতভাগ সুস্থ হবার আশা নেই। কিন্তু তাঁর condition অবস্থা আর খারাপ না হওয়াই এখন বড় কথা। এটাই বাস্তবতা।
রক্ত জমাট একবার গঠিত হলে অস্ত্রোপচার ছাড়া সরানো মুশকিল। বিশেষ করে যদি early treatment শুরুতের চিকিৎসা না হয়। অর্থের অভাবে এমন হওয়া খুব দুঃখজনক।
৯০-এর দশকের ক্রিকেট শুধু ম্যাচ নয়, একটা গল্প। কাম্বলি সেই গল্পের এক অধ্যায়। তাঁকে ভুললে আমরা আমাদের ছেলেবেলা ভুলব। নস্টালজিয়া নয়, কৃতজ্ঞতা।
বিজ্ঞাপনে ফিরলেন কেন? আর্থিক pressure চাপ নিশ্চয়ই আছে। কিন্তু এটা শুধু টাকা নয়, এটা নিজেকে ফিরে পাওয়ার attempt চেষ্টা।