পঞ্চগড়ে জাগপা কার্যালয়ে হামলা, রাশেদ প্রধানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়
পঞ্চগড়ে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় tension ছড়িয়ে পড়েছে। জাগপা মুখপাত্র আল রাশেদ প্রধানের বক্তব্যের প্রতিবাদে এই attack চালানো হয় বলে জানা গেছে। শুক্রবার সন্ধ্যার আগে বকুলতলা এলাকায় অবস্থিত কার্যালয়ে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের একটি বড় দল এসে টিনের বেড়া ভেঙে ফেলে এবং ভেতরের চেয়ার-টেবিলসহ কয়েকটি আসবাব destroyed করে।
হামলার আগে বিকেল পাঁচটার দিকে প্রতিবাদী march বের হয়, যা জেলা শহরের পথ দিয়ে এগিয়ে যায়। মিছিল শেষে একটি সংক্ষিপ্ত পথসভায় রাশেদ প্রধানকে unwanted ঘোষণা করা হয়। যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান বাবু বলেন, "রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, তবে তা শালীনতার মধ্যে হওয়া উচিত। আমরা তার বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং পঞ্চগড়ে তাকে declared করছি।"
জেলা জাগপার সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার আলম বিপ্লব ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, "আমাদের দলীয় কার্যালয়ের প্রাচীর ও ভেতরের আসবাবপত্র damaged হয়েছে। তবে আমাদের কোনো নেতাকর্মীর ওপর attack হয়নি।" তিনি ঘটনার তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে action নেওয়ার দাবি জানান।
পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আশরাফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ quickly ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি control আনে। বর্তমানে এলাকায় situation স্বাভাবিক রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সতর্ক position রয়েছে।
আসবাব ভাঙা হয়েছে, কিন্তু কেউ আহত হননি—এটাই ভাবছি ভাগ্য ভালো। তবে tension উত্তেজনা এভাবে বাড়লে পরবর্তী ঘটনা কী হবে?
রাশেদ প্রধান প্রায়শই তীব্র মন্তব্য করেন। তাঁর ভাষায় pressure চাপ তৈরি হয়, কিন্তু আসামিরা আসামি কার্যালয়ে হামলা করবে এটা কোথায় লেখা আছে?
যুবদল যদি শালীনতা চায়, তবে কার্যালয়ে ভাঙচুর কেন? এটা নিজেদের claim দাবি নিজেরাই খণ্ডন করছে।
পুলিশ quickly দ্রুত পৌঁছালেও আগে থেকে সতর্ক ছিল না? এমন incident ঘটনা প্রতিরোধ করা যেত।
রাজনীতির নামে সর্বসাধারণের peace শান্তি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। কার্যালয়ে হামলা কোনো political রাজনৈতিক সমাধান নয়।
একজন নেতার মন্তব্যের জবাব কি এভাবে দেওয়া হয়? প্রতিক্রিয়াটা একেবারে extreme চরমপন্থী মনে হচ্ছে।