জ্বালানির জন্য কৌশলগত মজুত গড়ে তোলা হবে
অর্থনৈতিক নীতির এক প্রাণবন্ত পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, সংকটকে সম্ভাবনায় রূপান্তরের strategy নিয়ে এগোতে চায় সরকার। তবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে হঠাৎ মূল্য সমন্বয় করলে সাধারণ মানুষের ওপর pressure বাড়তে পারে, তাই ধাপে ধাপে সমন্বয়ের পথ বেছে নেওয়া হচ্ছে। এ পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো ভবিষ্যতের সংকট মোকাবিলায় শুধু খাদ্য নয়, জ্বালানিও নিরাপদ রাখা।
এ প্রসঙ্গে তিনি ঘোষণা করেন, জ্বালানির strategic reserve গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। গতকাল পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের উপদেষ্টা কমিটির প্রথম সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন। সভায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ সাকি এবং জিইডির সদস্য ড. মনজুর হোসেন। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার জোর দেওয়া হয়েছে যে, আর কাগজের পরিকল্পনা নয়; এবার প্রতিটি plan হবে বাস্তবায়নযোগ্য।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর আরও বলেন, অতীতে অনেক পরিকল্পনা কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ ছিল। নতুন কৌশলে শুধু লক্ষ্য নির্ধারণ নয়, বাস্তবায়ন পদ্ধতি, জবাবদিহিতা এবং জনগণের কাছে অগ্রগতি তুলে ধরার ব্যবস্থাও থাকবে। তিনি জানান, সরকার অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় তিনটি মৌলিক পরিবর্তন আনতে চায়, যা শুধু বাস্তবায়নযোগ্যই নয়, জনগণের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানির কৌশলগত মজুত নিরাপত্তা ও market স্থিতিশীলতা ফেরাতে সাহায্য করবে। তবে এ পদক্ষেপের বাস্তবায়নের সময় কাঠামোগত challenges থাকবে না তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে সরকার আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করছে এবং জ্বালানি সঞ্চয়ের বিভিন্ন মডেল নিয়ে আলোচনা করছে। জনগণের আস্থা ফিরে পেতে এ ধরনের সুস্পষ্ট decision গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কৌশলগত মজুত ভালো কথা, কিন্তু বাস্তবে কতটা জ্বালানি জমা রাখা হবে আর কোথায়? তা না জানলে plan পরিকল্পনা আবার কাগজেই থেকে যেতে পারে।
আমরা যখন মূল্যবৃদ্ধির pressure চাপ সইছি, তখন এই সিদ্ধান্ত একটু দেরিতে এলো না? জ্বালানি মজুত কেন আগে গড়ে তোলা হলো না?
গ্রামের মানুষের জন্য এটা কতটা কাজে লাগবে? বাজার price দাম কমবে নাকি শুধু শহরের জন্য নীতি থাকবে?
সরকার বারবার বাস্তবায়নযোগ্য strategy কৌশল চায়, কিন্তু আমলাতন্ত্রের ধীরগতি কি তা সম্ভব করবে?
আস্থা ফিরে পেতে transparency স্বচ্ছতা জরুরি। মজুতের পরিমাণ, অবস্থান, ব্যয় – এসব জনগণকে জানানো হবে কি না?
একটা positive ইতিবাচক পদক্ষেপ। আশা করি, এবার কথা নয়, কাজ হবে। জ্বালানি নিরাপত্তা মানেই জাতির নিরাপত্তা।