চীন সফরে বিএনপি প্রতিনিধিদল ও তিতুমীর: কূটনীতির নতুন মোড়?
আগামী মাসে চীন সফরে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নেতৃত্বের পদক্ষেপ ঘিরে কূটনৈতিক pressure আরও বাড়ছে। সরকার গঠনের পরপরই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ১৬ এপ্রিল বেইজিং যাচ্ছেন, যা ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তুলেছে।
এই পদক্ষেপের প্রায় কয়েকদিন পরই চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি ২০ থেকে ২৫ এপ্রিল new planটি নিয়ে আলোচনার জন্য বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিতব্য ‘থার্ড হাই-লেভেল কনফারেন্স অন গ্লোবাল অ্যাকশন ফর শেয়ারড ডেভেলপমেন্ট’-এ decision নেওয়ার আওতায় অংশ নেবেন।
এই সম্মেলনটি বৈশ্বিক উন্নয়নে আন্তঃসংযোগ, অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার impact নিয়ে মূলত আলোচনা করবে। তিতুমীরের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অবিচ্ছিন্ন support এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব বজায় রাখার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
অন্যদিকে, বিরোধী দলের প্রতিনিধিদলের সফর রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে প্রশ্ন তুলেছে: ক্ষমতার বাইরে থাকা অবস্থায় কতটা প্রভাব ফেলতে পারে তাদের action ? এটি কি কেবল প্রতীকী ঘোষণা, নাকি আসলে কূটনৈতিক চ্যানেল খোলার একটি strategy ?
উভয় দলের আলাদা সফর একই দেশে সময়ের কাছাকাছি হওয়ায় জনগণের মধ্যে trust ফিরিয়ে আনা এবং বৈদেশিক নীতির সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এমন পরিস্থিতিতে কোন দল কতটা quickly আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উপস্থাপন করতে পারে, তা নির্ভর করবে তাদের আলোচনার গভীরতা এবং প্রতিশ্রুতির report -এর ওপর।
বিরোধী দলের সফর শুধু প্রচারের জন্য। ক্ষমতায় নেই, কোনো real impact বাস্তব প্রভাব ফেলবে না।
দুই দলই চীনে যাচ্ছে একই মাসে? এটা কি আসলে একটা public signal জনসাধারণের কাছে ইঙ্গিত যে কেউ ক্ষমতায় এলে চীন সমর্থন পাবে?
তিতুমীর সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন, কিন্তু কী আলোচনা হবে তা জানা নেই। এই স্বচ্ছতার অভাব নাগরিকদের আস্থা কমাচ্ছে।
বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি এখন দলগত হয়ে যাচ্ছে। আগে সরকারি সফর হতো, এখন party-level দলীয় পর্যায়ে সব।
চীন সবসময়ই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ market বাজার এবং বিনিয়োগের উৎস। কেউ তাদের সাথে সম্পর্ক কাটতে পারবে না।
উপদেষ্টা হিসেবে তিতুমীর যাচ্ছেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নিজে নন। এটা কি বোঝায় যে সরকার risk ঝুঁকি কম দেখছে কূটনীতিতে?