অর্থনৈতিক কৌশল প্রণয়নে ৩৬ সদস্যের কমিটি, প্রধান ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে একটি নতুন plan হাতে নিয়েছে সরকার। অর্থনৈতিক কৌশল প্রণয়নে গঠিত হয়েছে ৩৬ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি, যার নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। এ কমিটির মূল লক্ষ্য হলো ২০২৫ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য একটি ব্যাপক economic strategy তৈরি করা, যেখানে অন্তর্ভুক্ত থাকবে স্থিতিশীলতা, পুনরুদ্ধার এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির path ।
উন্নয়ন, নীতি সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ওপর ফোকাস করবে এ দল। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই তাদের কাজ শেষ করার expectation করা হচ্ছে। ৮ এপ্রিল গঠিত হওয়া এ কমিটিতে শুধু অর্থনীতিবিদ নন, বরং গবেষক, শিক্ষাবিদ, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের নামকরা ব্যক্তিরা এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরাও রয়েছেন। এতে প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে coordination এবং জনগণের প্রকৃত needs পূরণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
প্রথম সভা হয়েছে শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনে। সভাপতিত্ব করেন কমিটির প্রধান ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, আর সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। এ কমিটিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অর্থনীতিবিদ ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের মুশতাক খানের মতো ব্যক্তির অন্তর্ভুক্তি বৈশ্বিক insight আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ আক্তার হোসেন, বিশ্বব্যাংকের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন, বিআইজিডির সুলতান হাফিজ রহমানের মতো নামজাদা বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ ও বেসিসের সভাপতিরা রয়েছেন। এ গঠন সরকারের কাছ থেকে বহুমুখী support এবং বিভিন্ন খাতের মতামত অন্তর্ভুক্ত করার ইঙ্গিত দেয়।
অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এমন একটি initiative দেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় নতুন direction দিতে পারে। তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে এই পরিকল্পনার implementation । কতটা সময়ে এবং কতটা দক্ষতায় তা জমিতে নামবে, তা নির্ভর করবে নীতি নির্ধারকদের commitment এবং প্রশাসনিক capacity ওপর।
এতগুলো লোক নিয়ে কমিটি করলে সিদ্ধান্ত quickly দ্রুত নেওয়া যাবে নাকি আরও ধীরে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।
ভালো হলো যে বেসরকারি খাত এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে পরিকল্পনায় realistic বাস্তবসম্মত ভারসাম্য আসবে।
আগের কয়েকটি পরিকল্পনার কী হয়েছিল? past promises অতীতের প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি, এবার কেন হবে?
ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের মতো অভিজ্ঞ ব্যক্তির নেতৃত্বে আশা করা যায় evidence-based প্রমাণভিত্তিক পদক্ষেপ আসবে।
কত টাকা খরচ হবে এ কমিটির জন্য? কোনো budget বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে কি?
যদি প্রকৃতপক্ষে কৃষি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যের মতো খাতগুলোতে investment বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, তাহলে দেশের future ভবিষ্যত আলাদা হবে।