যুদ্ধবিরতির সুযোগে মাটির নিচ থেকে মিসাইল লঞ্চার উদ্ধার করছে ইরান

যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে ইরান মাটির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার উদ্ধারের কাজ শুরু করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের বিশ্লেষণ করা কৃত্রিম উপগ্রহের ছবিতে এই risk স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ছবিগুলোতে দেখা গেছে, ধ্বংসস্তূপ সরানো হচ্ছে এস্কেভেটর ও লোডার দিয়ে, আর সেগুলো ডাম্প ট্রাকে তোলা হচ্ছে।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এসব ঘাঁটির প্রবেশপথে হামলা চালিয়েছিল, যাতে ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারগুলো বাইরে বেরোতে না পারে বা ভেতরে ঢুকে আবার অস্ত্র মজুত করতে না পারে। এটি ছিল একটি কৌশলগত decision , কিন্তু তারপরও মার্কিন গোয়েন্দা সূত্র অনুযায়ী, ইরানের প্রায় অর্ধেক লঞ্চার এখনও অক্ষত।

ভূগর্ভস্থ এই ঘাঁটিগুলোকে 'মিসাইল সিটি' বলা হয়। জেমস মার্টিন সেন্টারের গবেষক স্যাম লেয়ার বলেন, এই ধরনের ঘাঁটি তৈরি করার সময় ইরান জানত যে প্রথমে হামলা সহ্য করতে হবে, তারপর ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নিজেদের plan চালু রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, 'যুদ্ধবিরতি মানেই হলো প্রতিপক্ষের জন্য সময় ফিরে পাওয়ার সুযোগ।' এই অস্ত্র উদ্ধারের কাজ তাই কোনো অপ্রত্যাশিত action নয় — এটি যুদ্ধের পরবর্তী স্তরের অংশ। বাজারে নয়, কিন্তু আন্তর্জাতিক pressure বাড়তে পারে।

এই প্রক্রিয়া দেখায় যে, কতটা সুষ্ঠুভাবে একটি সামরিক ঘাঁটি পুনরুদ্ধার করা যায় যুদ্ধবিরতির ফাঁকে। এখন প্রশ্ন হলো, উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো কী ধরনের response ডেকে আনবে? আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখন সতর্ক দৃষ্টি রেখেছে।

প্রতিক্রিয়া 6

  • প্রদীপ

    এত ধ্বংস হওয়ার পরও লঞ্চার আছে? এটা কি সত্যিই risk কমাবে, নাকি আরও বাড়াবে?

  • সাবরিনা

    যুদ্ধবিরতি মানেই তো শান্তি নয়, এটা শুধু পুনরায় হামলার প্রস্তুতি। কতটা pressure সহ্য করে তারা!

  • বিকাশ

    মাটির নিচে এত জটিল ঘাঁটি? সত্যিই ভাবতে ভয় লাগে। এগুলো তৈরি করতে কত cost হয়েছে!

  • তানভীর

    গোয়েন্দা ছবি দেখে বোঝা যাচ্ছে, তারা সত্যিই quickly কাজ করছে। কোনো সময় নষ্ট করছে না।

  • মৌসুমী

    আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কেন এখনও হস্তক্ষেপ করছে না? এটা কি public trust হারাবে না?

  • আরিফ

    একটা যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এত প্রস্তুতি? এটা কি আর শান্তির কথা বলে? নাকি এটা ছিল একটা strategy মাত্র?

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]