ইরান যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর বিপুল ক্ষতি, ইজরায়েল এড়িয়ে গেল কেন?
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে একসাথে লড়ছে ইজরায়েল আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কিন্তু এই 'দুই বন্ধু'র ক্ষতির হিসাব আকাশ-পাতাল। ইহুদি রাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতি নগণ্য, অন্যদিকে মার্কিন ফৌজ new করে হারিয়েছে শত শত কোটি ডলারের military equipment । এমন অসম ফলাফল কী কারণে? উত্তর খুঁজছেন বিশ্লেষকেরা।
জানা গেছে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আইআরজিসি এ পর্যন্ত ধ্বংস করেছে মার্কিন বাহিনীর বহু লড়াকু জেট, ট্যাঙ্কার বিমান, ড্রোন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা সিস্টেমের radar । বিশেষ করে, এফ-৩৫, এফ-১৫ই, এ-১০, এবং কেসি-১৩৫ বিমানগুলির ক্ষতি বেশ গুরুতর। আর এর পেছনে রয়েছে তেহরানের সাথে রাশিয়া ও চিনের গোয়েন্দা cooperation ।
অন্যদিকে, ইজরায়েলের ক্ষতি প্রায় নগণ্য: মাত্র ১৮টি ড্রোন হারিয়েছে তারা। বিশ্লেষকদের মতে, ইহুদি বাহিনীর ইলেকট্রনিক যুদ্ধের দক্ষতা উল্লেখযোগ্য। তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনকে সহজেই disable করতে পারে। এছাড়া, ইজরায়েল শুধু নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যে হামলা চালিয়েছে, আর মার্কিন বাহিনী ছিটিয়েছে ব্যাপক pressure পুরো ইরান জুড়ে।
এক বড় অসুবিধা মার্কিনদের: তাদের প্রায় প্রতিটি আরব দেশে ঘাঁটি আছে, যা ইরানের জন্য সহজ লক্ষ্য। তাই প্রত্যাঘাতে আইআরজিসি প্রথমেই ধ্বংস করেছে এই ঘাঁটিগুলির রেডার ও থাড ব্যবস্থা। ফলে মার্কিন বাহিনী হারিয়েছে protection এবং দ্রুত হারিয়েছে বায়ু আধিপত্য।
এক অস্ত্র যা মার্কিনদের জন্য ভয়ঙ্কর: ইরানের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। শব্দের পাঁচগুণ গতিতে যা চলে, তা আটকানো মার্কিন প্রতিরক্ষার বাইরে। আর এই অস্ত্রের জেরে মার্কিন বাহিনী হচ্ছে নিঃশর্ত লক্ষ্য। অন্যদিকে, ইজরায়েল যুদ্ধের লক্ষ্য পরিষ্কার: পারমাণবিক কেন্দ্র ধ্বংস, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ বন্ধ করা। তাই তাদের strategy বেশি কার্যকর।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন পক্ষ ইরানের প্রকৃত শক্তি, বিশেষ করে আইআরজিসির গোয়েন্দা ও প্রযুক্তির ধারণা ভুল করেছিল। তারা ভেবেছিল প্রথম আঘাতেই ইরান ভেঙে পড়বে। কিন্তু বাস্তবতা তা নয়। এখন মার্কিন বাহিনী লড়ছে জটিল battlefield , যেখানে প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য তাদের দিতে হচ্ছে বিপুল cost ।
মার্কিন সামরিক প্রযুক্তি সবচেয়ে উন্নত বলে মনে করা হতো, কিন্তু এই যুদ্ধে তাদের superiority শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
ইজরায়েল কেন কম ক্ষতি করেছে? কারণ তারা ক্লিয়ার target লক্ষ্য নিয়ে হামলা করছে। মার্কিন পক্ষের এলোমেলো আক্রমণ ঠিক না।
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র সত্যিই ভয়ঙ্কর। এটা কি শুধু ইরানের কাছে আছে? আমেরিকার কোনো response প্রতিক্রিয়া আছে নাকি?
বাহিরের চোখে দুই বন্ধু, কিন্তু ভিতরে ভিতরে কৌশলগত পার্থক্য স্পষ্ট। ইজরায়েল বেঁচে আছে intelligence গোয়েন্দা তথ্যের জোরে।
এত বড় ক্ষতির পরেও মার্কিন প্রশাসন জনগণকে কীভাবে বোঝাবে যে যুদ্ধটা necessary প্রয়োজন ছিল?
যে কোনো মুহূর্তে আবার বড় হামলা হতে পারে। এখন মার্কিন বাহিনী under pressure চাপের মধ্যে আছে।