ইরান যুদ্ধে আমেরিকার চেয়ে ইজ়রায়েলের কম ক্ষতি: কেন?
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমেরিকা ও ইজ়রায়েল একযোগে অবস্থান করলেও লোকসানের অঙ্ক দুটো ভিন্ন গল্প বলছে। তেহরানের পাল্টা হামলায় risk সবচেয়ে বেশি বহন করেছে মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম, আর ইজ়রায়েল তা থেকে অনেকটা বেঁচে গেছে। এই সিদ্ধান্তহীন পরিস্থিতি প্রশ্ন তুলেছে: কী কারণে দুই মিত্রের মধ্যে এমন বৈষম্য? প্রথম দিকে একযোগে আক্রমণ করলেও পরবর্তীতে আলাদা পথে হাঁটা এই দুই পক্ষের কৌশলগত পার্থক্য এবং গোয়েন্দা সমর্থনের ভিন্নতাই হয়তো এর মূল কারণ।
গত এপ্রিলের শুরু পর্যন্ত, মার্কিন বাহিনী হারিয়েছে এফ-৩৫ এবং এফ-১৫ লড়াকু জেট, কেসি-১৩৫ জ্বালানি ট্যাঙ্কার, এবং এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন। report অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে এমকিউ-৪সি ট্রিটন ড্রোনটি হঠাৎ করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে। এর মাঝেই একটি ই-৩ সেন্ট্রি রেডার বিমানও ধ্বংস হয়। এগুলির একক খরচ কোটি কোটি ডলার, যা বাজারমূল্যের শক্ত ধাক্কা। অন্যদিকে, ইজ়রায়েল শুধুমাত্র ১৮টি হালকা ড্রোন হারিয়েছে, আর তাদের কোনো লড়াকু জেট আকাশে নামানো হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, ইজ়রায়েল ইলেকট্রনিক যুদ্ধে দক্ষ, যা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনকে quickly অকেজো করতে সাহায্য করে। আমেরিকান পাইলটরা বারবার ফাঁদে পড়েছেন, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে নিজেদের জেট ভুল করে উড়িয়ে দিয়েছে। তদুপরি, রাশিয়া ও চিন ইরানকে support করছে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে। ওয়াশিংটন তাদের প্রধান লক্ষ্য, আর ইজ়রায়েল নয়। এটি মার্কিন লক্ষ্যবস্তুকে আরও সহজ লক্ষ্য বানাচ্ছে।
আমেরিকা ইরানের নৌবাহিনী ও পাহাড়ি গবেষণা কেন্দ্রগুলির বিপুল আক্রমণ চালিয়েছে, আর ইজ়রায়েল ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলিকে লক্ষ্য করেছে। এই কৌশলগত পরিকল্পনার পার্থক্যও লোকসানের হিসাবে প্রভাব ফেলেছে। পেন্টাগন ইরানের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে ব্যর্থ, যা মার্কিন সেনার জন্য বড় pressure । আর ট্রাম্প প্রশাসনের অস্পষ্ট যুদ্ধের purpose —খনিজ তেল নাকি কুশাসন—বিভ্রান্তি বাড়িয়েছে।
অন্যদিকে, ইজ়রায়েলের উদ্দেশ্য পরিষ্কার: তেহরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে, তাহলে তারা পৃথিবী থেকে ইহুদিদেশকে মুছে ফেলতে চায়। তাই তাদের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট করেছেন, ক্ষমতার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে। এই clarity তাদের public trust বজায় রেখেছে এবং সামরিক প্রতিক্রিয়াকে কার্যকর করেছে।
এত বড় risk ঝুঁকি নেওয়ার পরেও যদি উদ্দেশ্য অস্পষ্ট থাকে, তাহলে ক্ষতি অবশ্যম্ভাবী।
ইজ়রায়েলের ইলেকট্রনিক যুদ্ধের দক্ষতা সত্যিই quickly দ্রুত পরিস্থিতি বদলাতে পারে।
আমেরিকার ঘাঁটি সব আরব দেশে—সেটাই বড় pressure চাপ তৈরি করেছে।
গোয়েন্দা support সমর্থন ছাড়া এত কম ক্ষতিতে ইরান কীভাবে এগোচ্ছে?
ট্রাম্প শুধু তেল চান নাকি শাসন বদল? clarity স্পষ্টতা নেই, তাই জনগণ বিভ্রান্ত।
যদি উদ্দেশ্য না থাকে, তাহলে decision সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন। ইজ়রায়েলের কাছে সেটা আছে।