সুজন নির্বাচনে নেই—কিন্তু ক্রিকেটে রয়ে গেলেন পেছন থেকে?
বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক সময়ের মুখ খালেদ মাহমুদ সুজন আর রাজনৈতিক আসরে নেতা হবেন না। বিসিবির আসন্ন election অংশ নেবেন না বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। শনিবার বগুড়ায় এক কর্মসূচিতে গণমাধ্যমকে জানান, তাঁর কোনো plan বা ইচ্ছা নেই এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামার। অথচ ক্রিকেটের জন্য তাঁর ভালোবাসা কমেনি—শুধু ভূমিকা বদলাতে চান। আর এই ঘোষণার পেছনে রয়েছে এক গভীর অভিপ্রায়: সরাসরি ক্ষমতা নয়, কিন্তু ক্ষমতার পেছনে দাঁড়িয়ে খেলাকে এগিয়ে নেওয়া।
সুজন জানিয়েছেন, তিনি এখন professional কোচ হিসেবে বিসিবির সঙ্গে কাজ করতে চান। বিশেষ করে coaching বা দেশের ক্রিকেটের মানোন্নয়নে ভূমিকা পেলে তা তিনি আগ্রহ সহকারে consider করবেন। এমনকি বোর্ড যদি তাঁকে appropriate মনে করে, ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো দায়িত্বও তিনি নিতে প্রস্তুত। এখানে তাঁর ভাষ্য স্পষ্ট: নেতৃত্ব নয়, কিন্তু পরিচালনা নিশ্চিত করা। তিনি development চান, না যে পদ।
সম্প্রতি তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে সুজনের। সেই discussion জায়গা পেয়েছে দেশের বর্তমান ক্রিকেট situation , ভবিষ্যৎ কৌশল এবং অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা। তামিমের দৃষ্টিভঙ্গি শুনেছেন তিনি, আবার নিজের মতামতও তুলে ধরেছেন। এমন এক মঞ্চে তাঁর উপস্থিতি ইঙ্গিত দেয় যে, সুজন এখনও relevant ।
উল্লেখ্য, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সদ্য বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড ভেঙে দিয়ে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে। সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তামিম ইকবাল। তিনি ঘোষণা করেছেন, schedule রয়েছে আগামী জুনের মধ্যে বিসিবির general নির্বাচন আয়োজনের। এই পরিস্থিতিতে সুজনের সিদ্ধান্ত না দৌড়ানোর—এটি না শুধু ব্যক্তিগত পছন্দ, বরং একটি কৌশলগত ভাবনার প্রকাশ। তিনি হয়তো ময়দানে নেই, কিন্তু মাঠের পেছনে তাঁর ছায়া এখনও আছে।
নির্বাচনে না গেলেও ক্রিকেট কমিউনিটির কাছে তাঁর মতামত গুরুত্বপূর্ণ। এটাই বড় কথা।
আদতে তিনি কোচিং বা মেন্টর হিসেবে বেশি কার্যকর হবেন। mentor মেন্টর হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতা অমূল্য।
তামিমের সঙ্গে আলোচনার কথা শুনে মনে হচ্ছে তিনি পেছন থেকে কাজ করবেন। পেছনের চেয়ারে বসে ম্যাচ জেতানোও তো এক শিল্প।
নির্বাচন এড়ালে সত্যিই রাজনৈতিক ঝামেলা কমবে। কিন্তু বোর্ডে দায়িত্ব পেলে সেটাও তো politics রাজনীতি ছাড়া হবে না।
সুজন ভাই যদি যুব দলের কোচ হতেন, তাহলে ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হত।
একজন সাবেক অলরাউন্ডার হিসেবে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি অনন্য। এটা valuable অমূল্য হারিয়ে যাওয়া উচিত নয়।
সাধারণ নির্বাচন আসছে—কিন্তু নেতারা কি খেলোয়াড়দের কথা শুনবেন? সন্দেহ আছে।
যে মানুষ খেলার মাঠে দেশের জন্য লড়েছেন, তাঁর কথা কমপক্ষে শোনা উচিত।