মারামারি দেখার আকর্ষণ কেন এত বেশি
রাস্তায় কারও মারামারি লাগলে অনেকে থমকে দাঁড়িয়ে দেখেন। আবার বক্সিং বা ইউএফসির মতো combat sports প্রতি বিশ্বব্যাপী বিপুল popularity । কিন্তু কেন আমরা অন্য মানুষের লড়াই দেখতে এতটা ভালোবাসি? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর পেছনে আছে আমাদের আদিম যুগের survival instinct ।
যুগ হাজার আগে মানুষকে বাঁচতে হলে শিকার ধরতে বা শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে হতো। সেই সময়ের লড়াইয়ের দক্ষতা আজ আমাদের entertainment হয়ে গেছে। বক্সিং, কুস্তি বা মিক্সড মার্শাল আর্টস—এগুলো সেই প্রতিযোগিতারই আধুনিক রূপ। যাঁরা এসব দক্ষতা ভালো করে শিখতেন, তাদের survival chance ছিল বেশি। সেই বংশগত traits আজও আমাদের ভেতরে আছে।
একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁদের risk-taking প্রবণতা বেশি, তাঁরাই এমএমএ দেখে বেশি আনন্দ পান। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে ‘সেনসেশন সিকিং’—নতুন, তীব্র অভিজ্ঞতার খোঁজ। এই ধরনের মানুষ লড়াই দেখলে excitement পান, ভয় নয়।
আর কেন এত উত্তেজনা? কারণ লড়াই দেখার সময় আমাদের মস্তিষ্কে ডোপামিন ও অ্যাড্রেনালিন বেড়ে যায়। ডোপামিন pleasure এনে দেয়, আর অ্যাড্রেনালিন শরীরকে সজাগ করে তোলে। ঝুঁকি পছন্দকারীদের মস্তিষ্কে এই হরমোনগুলোর impact আরও শক্তিশালী।
আরেকটি মজার কারণ হলো মিরর নিউরন। এগুলো কাজ করে আয়নার মতো। যখন আমরা কাউকে লড়তে দেখি, আমাদের মস্তিষ্ক এমন ভাবে সাড়া দেয় যেন নিজেই লড়ছি। তাই প্রিয় খেলোয়াড় জিতলে আমাদের victory অনুভূতি হয়। এই mental connection বারবার লড়াই দেখতে আমাদের টানে।
আমি ইউএফসি দেখি, কিন্তু ভাবিনি এর পেছনে এত science বিজ্ঞান!
রাস্তার মারামারি দেখা নিয়ে অনেকে সমালোচনা করে, কিন্তু স্টেডিয়ামে লড়াই দেখলে টিকিট কাটে। hypocrisy পার্থক্যটা কোথায়?
আমার ভয় লাগে এসব দেখে। তাই অ্যাড্রেনালিন বাড়া আমার জন্য সত্যিকারের risk ঝুঁকি।
মিরর নিউরন নামটা শুনেছি। তাহলে এটাই কি খেলোয়াড়ের সঙ্গে connection যোগাযোগ তৈরি করে?
‘সেনসেশন সিকিং’—এটা আমার বন্ধুদের অনেকের ক্ষেত্রে applies খাটে। তারা এক্সট্রিম স্পোর্টস দেখতে পাগল।
আমি ভাবি, যদি লড়াই না থাকত, তাহলে বিনোদনের শূন্যস্থান কে পূরণ করত?