চার্লি চ্যাপলিনের জীবনের ৯ ঘটনা, যা হয়তো আপনার অজানা ছিল
১৬ এপ্রিল, কিংবদন্তি হাস্যরসিক চার্লি চ্যাপলিনের জন্মদিন। তাঁর নির্বাক চলচ্চিত্রগুলো আজও হাসির পাশাপাশি emotional impact ফেলে। কিন্তু তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ছিল কম নাটকীয় নয়। শৈশবে দারিদ্র্য, পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী fame , রাজনৈতিক বিতর্ক, এমনকি মৃত্যুর পরও নীরবতা ফিরে পাননি তিনি। তাঁর জীবনের কয়েকটি কম জানা ঘটনা আজ আমাদের মননে জায়গা করে নেয়।
মাত্র পাঁচ বছর বয়সে মঞ্চে উঠেছিলেন চ্যাপলিন। মায়ের মানসিক সমস্যার কারণে তাঁকে গান গেয়ে দর্শকদের মন জয় করতে হয়েছিল। এই early experience তাঁর ক্যারিয়ারের ভিত্তি গড়ে দেয়। পরিবারের আর্থিক সংকটে তাঁকে এতিম আশ্রমে পাঠানো হয়, যেখানে কঠিন জীবনযাপন তাঁর emotional pressure বাড়িয়ে তোলে।
১৯১৪ সালে প্রথম চলচ্চিত্র 'Making a Living'-এ অভিনয় করলেও তিনি নিজেই ছিলেন অসন্তুষ্ট। মনে করতেন তাঁর performance অপ্রাকৃতিক হয়েছে। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি 'লিটল ট্র্যাম্প' চরিত্রের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি পান। এই চরিত্রটি ছিল হাস্যরসের সঙ্গে social commentary ভরা।
বিপুল আয় ও দ্রুত financial success পেলেও চ্যাপলিন শব্দযুক্ত চলচ্চিত্র প্রথমে পছন্দ করেননি। মনে করতেন তাঁর চরিত্রের ভাব নষ্ট হবে। কিন্তু ১৯৪০ সালে 'The Great Dictator'-এ তিনি সংলাপ ব্যবহার করে তাঁর creative decision -এর মাধ্যমে আবারও ইতিহাস তৈরি করেন।
তাঁর ব্যক্তিগত জীবনও ছিল বিতর্কিত। তিনবার বিয়ে, অভিযোগ ও রাজনৈতিক চাপের মধ্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় নির্বাসিত হন। সুইজারল্যান্ডে গিয়ে বসবাস শুরু করেন। মৃত্যুর পর তাঁর কবর থেকে কফিন চুরি হয়—একটি shocking event যা তাঁর অমরত্বের পাশাপাশি এক অদ্ভুত ট্র্যাজেডি যুক্ত করে।
মাত্র পাঁচ বছর বয়সে মঞ্চে! আমাদের শিশুদের খেলার মাঠে রাখতে চাই, কিন্তু তখনকার দিনে শিশু তারকাদের জীবন ছিল অন্যরকম।
অবাক লাগে, এত বড় শিল্পী শব্দযুক্ত সিনেমা প্রথমে পছন্দ করেননি। আজকের দিনে প্রতিটি director পরিচালক ভয়ানক স্পিডে পরিবর্তন নেয়।
চ্যাপলিনের 'লিটল ট্র্যাম্প' শুধু হাসি নয়, সমাজের দর্পণ ছিল। আজকের কমেডি ফিল্মগুলোতে এমন depth গভীরতা কেন কম?
যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসন? একজন শিল্পীকে রাজনৈতিক কারণে বাইরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে—আজও এমন injustice অন্যায় হচ্ছে।
মৃত্যুর পর কফিন চুরি! মানুষ কত অদ্ভুত কাজের জন্য desperate হতাশ হয়। এটা শুধু টাকার জন্য নয়, খ্যাতির জন্যও হতে পারে।
চ্যাপলিন কখনো আমেরিকান নাগরিক হননি? এটা জানতাম না। একজন বিশ্ব বিখ্যাত মানুষ যার legacy উত্তরাধিকার সাংস্কৃতিক, রাষ্ট্রীয় সীমানা ডিঙিয়ে।