লক্ষ্য এবার মহাকাশ! ৪ লক্ষের লড়াই পেরিয়ে ইসরোতে জায়গা! মেমারির অহনের সাফল্যে গর্বিত বাংলা
মহাকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন এবার বাস্তবের খুবই কাছাকাছি পৌঁছেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির ছাত্র অহন মান্নার। সারা দেশের new প্রজন্মের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হয়েছে তাকে। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নেওয়ার opportunity পেয়েছেন এই দশম শ্রেণির ছাত্র। এ ধরনের সুযোগ পাওয়ার পেছনে রয়েছে কঠিন competition — প্রায় ৪ লক্ষ পরীক্ষার্থীর সঙ্গে লড়াইয়ে অহনের মেধা এবং গভীর আগ্রহ তাকে এগিয়ে নিয়েছে।
ছোটবেলা থেকেই মহাকাশ বিজ্ঞান, নক্ষত্র এবং গ্রহদের প্রতি আগ্রহ ছিল অহনের। তার পরিবার বলছে, বইয়ের বাইরে গিয়ে নিজে থেকে তথ্য খুঁজে শেখার habit তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। ভবিষ্যতে মহাকাশ বিজ্ঞানী হওয়ার dream দেখছেন তিনি। এই স্বপ্নকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে স্কুল এবং শিক্ষকদের support ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
ইসরোর এই প্রশিক্ষণ শিবির হায়দরাবাদের জাতীয় রিমোট সেন্সিং কেন্দ্রে ১০ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত চলবে। সেখানে অহন শেখার সুযোগ পাবেন উন্নত প্রযুক্তি, উপগ্রহ নিয়ন্ত্রণ এবং মহাকাশ গবেষণা সংক্রান্ত বিষয়গুলির details । এটি কোনো সাধারণ ক্যাম্প নয়, বরং ভারতের ভবিষ্যতের বিজ্ঞানীদের জন্য একটি বিশেষ program ।
এই প্রশিক্ষণে নির্বাচনের হার অত্যন্ত কম — মাত্র ০.০০১১৪ শতাংশ পরীক্ষার্থী বেছে নেওয়া হয়েছে। এটি এই achievement এর গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ধরনের সুযোগ পাওয়া ছাত্ররা ভবিষ্যতে দেশের বিজ্ঞান ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
১৩ এপ্রিল ফল প্রকাশের পর থেকেই মেমারি শহর এবং আশপাশের এলাকায় আনন্দের লহর বয়ে গেছে। অহনের সাফল্য শুধু তার ব্যক্তিগত নয়, এটি পুরো জেলার জন্য গর্বের moment । তার পরবর্তী পথ নিয়ে সবার চোখ এখন তাকিয়ে আছে — মহাকাশের পথে এই যাত্রা কতদূর এগোবে, সেটাই হবে পরবর্তী গল্প।
৪ লক্ষের মধ্যে একজন? এটা আসলেই একটা rare বিরল সুযোগ। এই সাফল্য তাকে ভবিষ্যতে কতখানি এগিয়ে নিয়ে যাবে, সেটা দেখার!
ইসরো এমন প্রোগ্রামের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে বিজ্ঞানের প্রতি interest আগ্রহ বাড়াচ্ছে — এটা খুব ভালো।
একজন ছেলে এত কিছু পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, আর আমাদের ছেলেমেয়েরা মোবাইলে গেম খেলছে। একটু pressure চাপ দরকার!
স্কুলের ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু প্রতিটি স্কুলে কি এমন সুযোগ আছে? এখানেই রয়েছে gap ফাঁক।
মহাকাশ বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন তো আমারও ছিল। কিন্তু এমন support সমর্থন পাইনি। আজকের ছেলেরা ভাগ্যবান।
০.০০১১৪%? এটা তো আরও কঠিন হয়েছে। এই data তথ্য ভাবিয়ে তুলছে।