রুবেল হোসেন : কোহলিকে টোন-টিটকিরি, অঙ্গভঙ্গি! সেই বাংলাদেশি ক্রিকেটারের অবসর, গত ৫ বছরে কোহলি 'কিং', তিনি 'অতীত'
বাংলাদেশের ঘরোয়া মাঠে যাঁর নাম শুনলেই বিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের মাথায় pressure পড়ত, সেই দ্রুত বোলার রুবেল হোসেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় ঘোষণা করেছেন। বুধবার তিনি ফেসবুকে একটি বার্তা জারি করে জানান, তাঁর ১৬ বছরের কেরিয়ার এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ইতি টানছে। তবে ঘরোয়া ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার plan রয়েছে তাঁর। রুবেল হোসেন শুধু বল ছুঁড়েই নয়, ক্ষেত্ররক্ষণে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছিলেন মাঠে। বিশেষ করে ভারতের বিরাট কোহলির বিরুদ্ধে তাঁর মাঠের আচরণ অনেকদিন ধরেই চর্চিত।
২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে রুবেল হোসেন মোট ১৯৩টি উইকেট নিয়েছেন সব ফরম্যাটে। ওডিআইয়ে তিনি বাংলাদেশের পঞ্চম সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হিসেবে অবসর নিলেন। তাঁর ওডিআই অভিষেকেই চার উইকেট পাওয়া ছিল অসাধারণ এক achievement । ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এক ম্যাচে তিনি ৬/২৬ বোলিং পেশ করেন, যেখানে ছিল একটি হ্যাটট্রিকও। এই পারফরম্যান্স তাঁকে আন্তর্জাতিক মহলে প্রতিষ্ঠিত করে।
কিন্তু মাঠের বাইরেও রুবেলের নাম ছিল চর্চায়। বিরাট কোহলির সঙ্গে তাঁর উত্তপ্ত মুখোমুখি ঘটনা অনুরাগীদের মনে গেঁথে আছে। রুবেল নিজেই জানিয়েছেন, একটি ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে কোহলি তাঁদের ব্যাটসম্যানদের প্রচুর স্লেজিং করছিলেন। সেই সময় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। incident এতটাই বেড়ে যায় যে আম্পায়ারকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।
২০২১ সালের পর থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাঁর উপস্থিতি কমে যায়। শেষ ম্যাচটি ছিল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অকল্যান্ডে একটি টি২০। সেখানে তিনি ২ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি। তবু তাঁর উপস্থিতি ছিল আবেগময়। তিনি জানিয়েছেন, জাতীয় দল তাঁর ভালোবাসা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে প্রত্যেককে পিছনে ফেলে আসতে হয়। তাঁর এই decision মেনে নেওয়া হয়েছে অনুরাগীদের আপাতত চিন্তা হচ্ছে, কোহলি কি এখনও সক্রিয় থাকার সময় রুবেল অবসর নেওয়ায় একটা বৈষম্য মনে হবে না তো?
রুবেল অবসর? একটা সময় ওই বল দেখলে কোহলি কাঁপত, এখন শুধু মেমোরি। ক্রিকেটে time সময় সবকিছু বদলে দেয়।
কোহলি স্লেজিং করছিলেন? হালকা hypocrisy ভণ্ডামি। নিজে মাঠে চিৎকার করে অন্যকে শান্ত থাকতে বলে।
রুবেলের হ্যাটট্রিকটা মনে আছে? সেই ম্যাচে নিউজিল্যান্ড পুরো ভেঙে গিয়েছিল। আসল impact প্রভাব ছিল মানসিক।
অবসরের ঘোষণায় রুবেলের আবেগ বোঝা যাচ্ছিল। জাতীয় দলের জন্য খেলা মানেই তো pride গর্ব।
পারফরম্যান্স কমলে দল থেকে বাদ, এটাই বাস্তবতা। কিন্তু রুবেলের মতো লড়াকু মনোভাব আর কখনো ফিরবে না। আত্মা ছিল মাঠে।
ঘরোয়া ক্রিকেট চালানোর কথা বলেছেন রুবেল। মানে হয়তো লিগে দেখা যাবে আবার? hope আশা আছে।