রাহুল দেব বর্মণের মৃতদেহের সামনে কেন যাননি আশা? আবেগের এক কথা
১৯৯৪ সালের ৪ জানুয়ারি। ভোরের আলো ফোটার আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে death হয় রাহুল দেব বর্মণের। গোটা সংগীত জগতে shock পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার চেয়েও ভয়াবহ ছিল আশা ভোঁসলের মনের অবস্থা। স্বামীর body রাখা ঘরে ঢুকতে তিনি refused করেন। কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘আমি ওকে মৃত অবস্থায় দেখতে পারব না। আমি ওকে জীবন্ত হিসেবেই মনে রাখতে চাই।’ এই কথাগুলোতে ছিল ভালোবাসার চরম reality —মৃত্যুকে মানতে হবে, কিন্তু স্মৃতিকে মরতে দেওয়া হবে না।
আশা এবং আর ডি বর্মণের জীবন ছিল না শুধু প্রেমের গল্প, ছিল সৃজনশীলতার এক উজ্জ্বল example । তাঁদের স্টুডিও ছিল সেই পবিত্র জায়গা যেখানে গান হয়ে ওঠত ইতিহাস। তাঁদের হাত ধরেই বাংলা থেকে শুরু করে হিন্দি পর্যন্ত একের পর এক গান হয়ে উঠেছিল কালজয়ী। ‘পিয়া তু আব তো আজা’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে জো দিল কো’—এসব গানের পিছনে ছিল তাঁদের পারস্পরিক trust এবং সৃজনশীল collaboration । স্ত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে আশা কখনও আড়ালে পড়েননি, বরং তাঁর কণ্ঠ ছিল পঞ্চমের সুরের সমকক্ষ।
তাঁদের ১৯৮০ সালে বিয়ে হয়। সন্তান ছিল না, কিন্তু তাঁদের সৃষ্টি করা শত শত গানই ছিল তাঁদের legacy । এখনও সেই গানগুলো শোনার মানুষের মনে জাগিয়ে তোলে এক অনন্য emotion । আশা কখনও বলেননি তিনি ক্ষতিগ্রস্ত, বরং বলেছেন, পঞ্চম তাঁকে দিয়েছেন সম্পূর্ণ জীবন। তাঁদের মিলন ছিল না শুধু বিয়ের বন্ধনে, ছিল কণ্ঠ ও সুরের মিলনে। পঞ্চম চলে গেলেও তাঁর সুর এখনও আশার voice ধরে বাজে।
২০২৬ সালে আশার মৃত্যু হলে গোটা বিশ্ব আবারও শোকে ভারী হয়ে পড়ে। কিন্তু একইসাথে উঠে আসে প্রশ্ন—কেন তিনি স্বামীর মৃত্যুর সময় তাঁর শেষ দর্শন করেননি? অমিতাভ মেমনের মতে, সেটাই ছিল আশার নিজস্ব উপায়ে grief মানানোর। তিনি চেয়েছিলেন পঞ্চমকে হাসতে হাসতে, সুর তৈরি করতে দেখতে—life হিসেবে, মৃত্যু হিসেবে নয়। তাঁদের প্রেম ছিল না শুধু ভালোবাসা, ছিল এক নিরবচ্ছিন্ন creative journey ।
এই দম্পতির গল্প আজও শিল্পীদের জন্য এক অনুপ্রেরণা। তাঁদের প্রেম ও সৃষ্টি মিলিয়ে তৈরি হয়েছিল এক নতুন সংস্কৃতি। তাঁদের গানের মাধ্যমে তাঁরা প্রমাণ করেছিলেন, প্রেম আর কলা একসাথে থাকলে তা হয়ে ওঠে চিরন্তন। আশা এবং পঞ্চমের মতো জুটি আর হবে কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন আছে, কিন্তু তাঁদের সৃষ্টি কখনও fade হবে না। নেটদুনিয়ায় অনেকেই বিশ্বাস করেন, মেঘের ওপারে আবারও মিলেছে এই কিংবদন্তি জুটি—এখন তাঁরা আর কখনও বিচ্ছেদ পাবে না।
আশা পঞ্চম ছাড়া কীভাবে বাঁচলেন সত্যিই ভাবতে পারি না। তবু তিনি তাঁর শোককে কাজে লাগিয়েছিলেন।
‘ম্যায় উসে জিন্দা দেখনা চাহতি হুঁ’—এই কথাটাই তো সব। মৃত্যু আসে, কিন্তু memory স্মৃতি থাকে।
গুলজার সাহেব তখন আশাকে সামলেছিলেন। বন্ধুত্বেরও একটা value মূল্য আছে।
আমার ছেলেবেলা থেকেই আশা-পঞ্চমের গান শুনি। তাঁদের music সঙ্গীত আমার প্রাণের অংশ।
কেন যাননি আশা? কারণ তিনি জানতেন, একটু দেখলেই ভেঙে পড়বেন। emotional আবেগ মানুষকে অসহায় করে।
প্রেম আর সৃজনশীলতা একসাথে থাকলে magic জাদু হয়। আশা-পঞ্চম সেই জাদুর উদাহরণ।