দেশ ও বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছেন দিনাজপুরের এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
দেশ-বিদেশের বাজারে opportunity তৈরি করছেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ৮ এপ্রিল, বিশ্ববিদ্যালয়টি ২৫ বছর পূর্ণ করেছে। দুই যুগ আগের একটি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিষ্ঠান আজ প্রায় তেরো হাজার ছাত্রছাত্রী এবং পাঁচ শতাধিক শিক্ষককে নিয়ে উত্তরাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রথম ব্যাচে মাত্র ১৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিলেন, কিন্তু তখন এখনকার মতো university status ছিল না।
ফরহাদ নবীন, ১৯৯৯-২০০০ সেশনের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী, এখন গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক। তিনি মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার আগে তাদের দুই বছর নষ্ট হয়েছিল। তারা পুলিশের সামনে human chain করেছেন, পিটুনি খেয়েছেন। কিন্তু আজ তার প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি দেখে pride করেন। এমনই অনেক শিক্ষার্থী আজ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে আছেন।
অ্যামাজনে চাকরি করেন খায়রুল বাশার, মাইক্রোসফটে রিয়াদ হোসেন। রিয়াদ বলেন, চাকরির market দ্রুত changing । এআই, ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবার সিকিউরিটি—এগুলোর চাহিদা বাড়ছে। শুধু একটি বিষয়ে জ্ঞান নিয়ে আর survival যাবে না। ইরাসমাস মুন্ডাস বৃত্তি পেয়ে গণিত বিভাগের আবুল হাসান এখন ইতালির লা-কুইলা ইউনিভার্সিটিতে পড়ছেন। তিনি বলেন, আমাদের সিলেবাস outdated , আধুনিক গবেষণার জন্য নতুন পরিকল্পনা দরকার।
বন্যার পর কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ২০২৪ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারগুলোকে সাহায্য করার জন্য তারা বিনামূল্যে দশ লাখ সবজি ও ধানের চারা বিতরণ করেছেন। এই উদ্যোগটি ছিল শুধু মানবিক নয়, এটি কৃষি innovation এবং সামাজিক দায়বদ্ধতারও প্রকাশ। কৃষক সেবাকেন্দ্র, ভেটেরিনারি ক্লিনিক—এগুলো স্থানীয়দের জন্য মূল্যবান support ।
তবুও চ্যালেঞ্জ কম নয়। শিক্ষার্থী সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে pressure —ল্যাব, আবাসন, পরিবহন, খেলার মাঠ সবই অপ্রতুল। উপাচার্য এম এনামউল্যা বলেন, গবেষণার প্রসার এবং মাঠ গবেষণার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়া হবে। শিক্ষার মান উন্নয়ন এখন priority । কিন্তু এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সম্পদ এবং planning দুটোই দরকার।
আমার ভাই এখানকার প্রাক্তন শিক্ষার্থী। আমেরিকায় চাকরি করছে। কিন্তু তাও বলে ল্যাবের সুযোগ limited সীমিত ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের এখন গবেষণার জন্য বাজেট বাড়ানো দরকার।
বন্যার পর চারা বিতরণ মন ছুঁয়ে গেল। এমন community service সামাজিক কাজ করলে শিক্ষার্থীরা শুধু চাকরি পায় না, মানুষের মনও জয় করে।
কিন্তু বিদেশে চলে যাওয়ার প্রবণতা কমাতে হবে। দেশে job market চাকরির বাজার ভালো হলে কেউ কেন পালাবে?
গণিত বিভাগের ১৫ জন বিদেশে? এটা remarkable অসাধারণ। কিন্তু প্রশ্ন হলো—কেন এরা ফিরছে না?
আমি এখানকার শিক্ষার্থী। আবাসনের অভাব severe গুরুতর। বাসায় ফিরে পড়াশোনা করা অসম্ভব। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
প্রাথমিক ইনস্টিটিউট থেকে বিশ্ববিদ্যালয়—এটা growth বৃদ্ধি নয়, এটা একটা বিপ্লব।