ইরান যুদ্ধের পর মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি পূরণে চার বছর লাগবে: রিপোর্ট
ইরানের বিরুদ্ধে ৩৯ দিনের যৌথ অভিযানের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রের stockpile আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। সিএসআইএস-এর নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ঘাটতি পূরণ করতে take পারে চার বছরেরও বেশি সময়। বিশেষ করে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর, থাড এবং জেএএসএসএম-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের inventory অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে, যা মার্কিন সামরিক readiness নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন বাহিনী তাদের প্রিসিশন guided ক্ষেপণাস্ত্রের অর্ধেক ব্যবহার করে ফেলেছে। সিএসআইএস সতর্ক করে বলেছে, এই ঘাটতি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সৈন্যদের response ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে, বিশেষ করে চীনের সঙ্গে কোনো সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্রে। তারা বলেছে, "ইরান যুদ্ধের আগেই মজুদ পর্যাপ্ত ছিল না, এখন এই ঘাটতি আরও worsening হয়েছে।"
অন্যদিকে, পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল এই সতর্কতাকে misleading এবং 'অসম্মানজনক' বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে মার্কিন সামরিক বাহিনী এখনও যেকোনো threat মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত। কিন্তু পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ হিসাব অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে অস্ত্র নির্মাতা কোম্পানিগুলোর সাথে সাত বছরের চুক্তি করার পরিকল্পনা চলছে, যা ঘাটতি মেটানোর জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেটের অংশ হিসেবে উন্নত মানের অস্ত্র উৎপাদন চার গুণ বাড়ানোর নির্দেশ ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিশ্লেষকদের মতে, উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর চেয়ে replenishing করা আরও কঠিন হবে। ফুরিয়ে যাওয়া ক্ষেপণাস্ত্রের ভাণ্ডার আগের অবস্থায় ফিরতে অনেক সময় লাগবে, যা আন্তর্জাতিক security কাঠামোতে প্রভাব ফেলবে।
মজুদ ফুরিয়ে যাওয়ার মানে হলো vulnerability দুর্বলতা—মার্কিন প্রভাব কমবে, আর চীন-রাশিয়া এটা কাজে লাগাবে।
পেন্টাগন বলছে সব ঠিক, কিন্তু আসলে তো ঘাটতি প্রকাশ্য। এটা কি শুধু public confidence জনআস্থা বজায় রাখার চেষ্টা?
চার বছর লাগবে? মানে পরবর্তী কোনো সংঘাতে তারা কম leverage ক্ষমতা নিয়ে যুদ্ধ করবে। ভয়ঙ্কর ব্যাপার।
যে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ ফুরায়, সেটা কি আসলে এত সহজে তৈরি হয়? উৎপাদন বাড়ানো আর মজুদ restore পুনরুদ্ধার এক না।
এই ঘাটতি কি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হুমকি তৈরি করবে? আর কেউ যদি মার্কিন নিরোধমূলক ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে?
প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ছে, কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্র replacement প্রতিস্থাপন কি সত্যিই সম্ভব? কারখানাগুলো কি তাড়াতাড়ি উৎপাদন বাড়াতে পারবে?