সাঙ্গাকারা ফিরছেন—কিন্তু ব্যাট নয়, বোর্ডের চেয়ারে
ক্রিকেট প্রেমীদের কাছে কুমার সাঙ্গাকারা মানে শুধু একজন ব্যাটসম্যান নন—তিনি এক যুগ, এক আদর্শ, এক অমর ছন্দের প্রতীক। এখন সেই ছন্দ ফিরছে, কিন্তু মাঠের বদলে কর্তৃত্বের চেয়ারে। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের ধস নামার পর সরকার একটি transformation কমিটি গঠন করেছে, যেখানে জায়গা পেয়েছেন লেজেন্ড সাঙ্গাকারা। দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে শাম্মি সিলভার নেতৃত্বাধীন পুরো বোর্ডই resigned করেছে, আর এখন নতুন পথের সূচনা হচ্ছে। নয় সদস্যের এই দলের মুখ্য লক্ষ্য—শ্রীলঙ্কাকে আবার আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ের top ফিরিয়ে আনা।
কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য এরান বিক্রমারত্নে, একজন প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ী। তিনি বলেছেন, তার জন্য এটি একটি privilege বিষয় যে তিনি এত যোগ্য ও সৎ মানুষের কমিটির নেতৃত্ব দেবেন। তার কথায়, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের বর্তমান শাসন কাঠামো একেবারেই অকার্যকর—যা ক্রিকেট সংস্থাগুলোকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেয় এবং অদক্ষতাকে বাড়িয়ে তোলে। এবার তারা একটি নতুন গঠনতন্ত্র তৈরি করবেন, যা খেলাকে আধুনিক ও শক্তিশালী ভিত্তির উপর দাঁড় করাবে।
সাঙ্গাকারার পাশাপাশি কমিটিতে রয়েছেন আরও দুই কিংবদন্তি ক্রিকেটার—রোশান মহানামা এবং সিদাথ ওয়েত্তিমুনি। কিন্তু এই কমিটি শুধু ক্রিকেট মহলের নয়—এর প্রধান অংশ জুড়ে রয়েছেন করপোরেট, আইন ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রের মানুষ। দুজন lawyer , দিনাল ফিলিপস ও উপুল কুমারাপেরুমা, নতুন গঠনতন্ত্রের খসড়া প্রণয়নে মূল ভূমিকা পালন করবেন। এটি একটি প্রচেষ্টা যেখানে ক্রিকেটের প্রাণ এখন নির্ভর করছে না কেবল মাঠের প্রতিভার উপর, বরং প্রতিষ্ঠানিক reform উপর।
কমিটির দ্বিতীয় মূল লক্ষ্য হলো মাঠের পারফরম্যান্সকে আবার উজ্জ্বল করা। তারা একটি কাঠামো তৈরি করবে যা বিশ্বমানের facilities এবং incentive মডেল নিশ্চিত করবে। বিক্রমারত্নে বলেছেন, তাদের মূল লক্ষ্য হলো খেলোয়াড়দের এমনভাবে গড়ে তোলা যাতে তারা ধারাবাহিকভাবে বিশ্বমানের performance দেখাতে পারে। আগের বার রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে আইসিসি শ্রীলঙ্কার সদস্যপদ স্থগিত করেছিল, কিন্তু এবার নতুন নেতৃত্ব assure দিচ্ছে যে তারা আইসিসির নিয়মের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্য বজায় রাখবে। কমিটির মেয়াদ এখনও ঘোষিত হয়নি।
সাঙ্গাকারা ফিরছেন? মানে সত্যিই ফিরছেন? এটা আসলেই hope আশার আলো।
ক্রিকেট বোর্ডে রাজনীতিবিদের চেয়ারম্যান? এটা কি সত্যিই independent স্বাধীন হবে নাকি আবার রাজনীতির খেলা?
আইনজীবী আর ব্যবসায়ীদের দিয়ে ক্রিকেট ঠিক করা যাবে? খেলার মূল আত্মা কি হারাবে না?
গঠনতন্ত্র পাল্টালে আসলে দুর্নীতি কমবে? আমার doubt সন্দেহ আছে।
যদি সাঙ্গাকারা আর মহানামা একসাথে কাজ করেন, তাহলে কিছু একটা হবে। এই গৌরব ফিরবেই।
শুধু বোর্ড বদলালেই হবে না। অধিনায়কত্ব, কোচিং, যুবনীতি—সব মিলিয়ে একটা system ব্যবস্থা চাই।
এই কমিটি কি শুধু আইসিসির চোখে ধুলো দেওয়ার জন্য?
আগে শ্রীলঙ্কা ছিল আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভয় দেখানো দল। এখন সেই glory মহিমা ফিরবে কি?