রাজনৈতিক বিতর্ক: অমিত শাহের ‘এই দিদি’ সম্বোধন – অবমাননা না রাজনৈতিক কৌশল? TMC-র তীব্র প্রতিক্রিয়া
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘এই দিদি’ বলে সম্বোধন করায় রাজনৈতিক ঝড় উঠেছে। তৃণমূল কংগ্রেস এটিকে insult হিসেবে চিহ্নিত করেছে, আর দাবি করেছে যে এটি কেবল শৈলী নয়, বরং political strategy । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন দেশের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী, তিন মেয়াদে নির্বাচিত, আর তাঁকে এভাবে ডাকা হওয়ায় তাঁর সমর্থকদের মধ্যে anger ছড়িয়েছে।
তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ এক্স-এ লিখেছেন, ‘নরেন্দ্র মোদীর “দিদি ও দিদি” থেকে অমিত শাহের “এই দিদি, কান খুলে শুনে নাও” পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে abuse করা হয়েছে।’ তিনি claim করেছেন, বিজেপি সংসদে ‘নারী শক্তি’র কথা বললেও বাস্তবে তারা একজন প্রবীণ মহিলা নেত্রীকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালিয়েছে।
মহুয়া মৈত্র, কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ, আরও বিষিয়েছেন আক্রমণ। তিনি লিখেছেন, ‘“এই দিদি! কান খুলে শুনে নাও!” এক লুটেরা ও খুনির প্রত্যাবর্তন হয়েছে, যে না কী বাংলার মহিলাদের রক্ষা করবে।’ তিনি insist যে অমিত শাহ একজন ‘গুন্ডা’, আর একবার গুন্ডা হলে সে চিরকাল গুন্ডাই থাকে।
বিজেপি এখনও কোনো সরকারি মন্তব্য করেনি, কিন্তু দলের কয়েকজন নেতা সোশ্যাল মিডিয়ায় support করেছেন অমিত শাহের ভাষাকে, এটিকে direct ও bold বলে উল্লেখ করে। কিন্তু বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের ভাষা রাজনীতিতে tone নির্ধারণ করে, আর এটি বিরোধী নেতাদের সাথে সহজ কথোপকথনের চেয়ে মুখোমুখি লড়াইকে উৎসাহিত করে।
এটি কেবল একটি word নয়, বরং একটি symbolic act । এটি নারী নেতৃত্বের প্রতি সম্মান নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং দেখায় যে কীভাবে public discourse রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ব্যবহৃত হয়। যদি একজন মুখ্যমন্ত্রীকে casually ‘এই দিদি’ বলা যায়, তবে তা কী অন্যান্য নারী নেতাদের উপর প্রভাব ফেলবে না?
‘এই দিদি’ বলাটা শুধু slight সামান্য অসম্মান নয়, এটা একটা deliberate ইচ্ছাকৃত কৌশল।
বিজেপি যখন ‘নারী শক্তি’ বলে, তখন মমতা দিদিকে ‘এই দিদি’ বলা কেন? পার্থক্য খুব স্পষ্ট।
মহুয়া মৈত্রের প্রতিক্রিয়াটা খুব emotional আবেগঘন, কিন্তু এটা সত্যিই reflects প্রতিফলিত করে অনেকের মনোভাব।
‘কান খোলো’ বলাটা খুবই aggressive আক্রমণাত্মক। এটা কোনো রাজনৈতিক dialogue কথোপকথন নয়।
আমি ভাবি, একজন পুরুষ নেতাকে কখনও ‘এই ভাই’ বলে ডাকলে এত outrage ক্ষোভ হতো?
অমিত শাহ নিজেকে strong শক্তিশালী হিসেবে দেখাতে চান, কিন্তু সম্মান হারাচ্ছেন।
এটা শুধু ভাষা নয়, এটা power ক্ষমতা প্রদর্শন। কে কাকে control নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, সেটাই দেখানো হচ্ছে।