মহিলা সংরক্ষণ: ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসছেন, চাণক্য বেঁচে থাকলে…’, লোকসভায় অমিত শাহকে কঠোর কটাক্ষ প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরা
লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্কের মধ্যে কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরা কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র accusation তুলেছেন। তিনি বলেছেন, বিজেপি মহিলা empowerment নামে আসলে নিজেদের political advantage আদায় করতে চাইছে। আইনটি আগেই পাস হয়েছিল, কিন্তু এখন পাঁচ রাজ্যে নির্বাচনের আগে সীমানা পুনর্বিন্যাস ও আসনবৃদ্ধির সঙ্গে জুড়ে তা নতুন করে তুলে ধরা হচ্ছে, যা রাজনৈতিক manipulation ছাড়া কিছু নয়।
প্রিয়ঙ্কা বলেন, ২০১১-এর জনগণনা ভিত্তি করে ওবিসি শ্রেণির actual representation নির্ধারণ হলে সরকারের রাজনৈতিক হিসাব নষ্ট হবে। তাই ২০২৭-এর জনগণনার অপেক্ষা না করে আগেভাগে আসন পুনর্বিন্যাস করে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে চাইছে মোদি সরকার। তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী ভয় পাচ্ছেন যে ওবিসি-দের rights স্বীকৃত হলে তাঁদের নিয়ন্ত্রণ কমে যাবে। এটা কোনো সামাজিক justice নয়, এটা ক্ষমতার game ।"
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, যদি মহিলাদের সমান opportunity দেওয়ার কথা বলা হয়, তবে ৫৪৩টি আসনের মধ্যে তিন বছর আগের আইন কেন এখনও implemented করা হয়নি? জনগণনার ডেটা ছাড়াই সংরক্ষণ কীভাবে ন্যায্য হতে পারে? এই বিল যদি পাশ হয়, তবে গণতান্ত্রিক সততা নষ্ট হবে।
উল্লেখযোগ্য হলো, প্রিয়ঙ্কা বক্তৃতা করার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর দিকে না তাকিয়ে হাসছিলেন। তাঁকে লক্ষ্য করে প্রিয়ঙ্কা বলেন, "চাণক্য বেঁচে থাকলে আপনার cunning strategy দেখে হয়তো হার মানতেন।" এই মন্তব্য সংসদের বাইরে ব্যাপক reaction সৃষ্টি করেছে। বিরোধীরা বলছেন, সরকার মহিলা rights নয়, নির্বাচনী সুবিধা খুঁজছে।
এই বিতর্ক শুধু ভারতের গণতন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়েই নয়, বিশ্বব্যাপী যে সব গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নারী representation নিয়ে আন্দোলন চলছে, সেখানেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্বাভাস হতে পারে। রাজনৈতিক স্বার্থে সংস্কারের নামে প্রতিষ্ঠানগুলির অখণ্ডতা নষ্ট হলে, তা কেবল ভারতের জনগণের জন্য নয়, গোটা গণতান্ত্রিক বিশ্বের জন্যও warning হয়ে থাকবে।
মহিলাদের জন্য reservation সংরক্ষণ দরকার, কিন্তু নির্বাচনের আগে হঠাৎ এটা নিয়ে এত হৈ-চৈ কেন? স্পষ্টতই এটা timing সময়ের ব্যাপার।
প্রিয়ঙ্কা ঠিক বলেছেন—যদি সত্যিই মহিলাদের কথা ভাবত, তবে আইন পাস হওয়ার পরেই কার্যকর করত। এখন আসন বাড়ানোর সঙ্গে জুড়ে দেওয়াটা কেবল political stunt রাজনৈতিক কৌশল।
শাহ হাসছিলেন? মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলা করছেন, আর হাসছেন? এটা শুধু disrespect অবজ্ঞা নয়, গণতন্ত্রের প্রতি আক্রমণ।
ওবিসি প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ। জনগণনা না হলে কীভাবে কে কতটা অল্প প্রতিনিধিত্বিত হবে, তা বোঝা যাবে না।
চাণক্যের তুলনা ঝাল! কিন্তু সত্যি বলতে, রাজনীতি আজ আর নীতির নয়, এটা হয়ে গেছে power game ক্ষমতার খেলা।
মহিলা empowerment সংরক্ষণ হোক, কিন্তু সেটা যেন আসল উদ্দেশ্যে হয়, রাজনৈতিক ফাঁদ নয়। জনগণ deserve পাওয়ার যোগ্য সত্যিকারের পরিবর্তন।
এই সব বিল পাশ করার আগে সর্বদলীয় আলোচনা হওয়া উচিত। বিনা আলোচনায় এগোনোটা গণতন্ত্রের norm নিয়ম ভাঙা।
প্রিয়ঙ্কা বলেছেন যা, তা অনেকের মনের কথা। রাজনীতি আর মহিলা welfare কল্যাণ এক জিনিস নয়।