জল খেয়ে কি আর বাঁচবেন? কিডনি স্টোনের নতুন গবেষণা ভাঙল পুরনো ধারণা
kidney স্টোনের ভয় আজ আর কোনও অজানা অসুখ নয় — বরং এটি হয়ে উঠেছে বিশ্বব্যাপী একটি common স্বাস্থ্যসমস্যা। একবার এই সমস্যা হলে পরবর্তী ১০ বছরের মধ্যে আবার হবার সম্ভাবনা থাকে প্রায় অর্ধেক মানুষের। তাই চিকিৎসকরা দীর্ঘদিন ধরে একটি সহজ পরামর্শ দিয়ে এসেছেন: drink করে জল water । ধারণা ছিল, জল প্রস্রাবকে পাতলা করবে, আর খনিজ পদার্থগুলো জমে পাথর তৈরি হবে না। কিন্তু সম্প্রতি study এই বিশ্বাসকেই নাড়া দিয়েছে।
‘দ্য ল্যানসেট’-এ প্রকাশিত এক large গবেষণায় দেখা গেছে, ১৬০০-এর বেশি মানুষের ওপর পরীক্ষা করেও যারা প্রচুর জল খেয়েছেন আর যারা স্বাভাবিক মাত্রায় খেয়েছেন, তাদের মধ্যে stone ফিরে আসার হার প্রায় সমান। অর্থাৎ, শুধু জল খেলেই যে কিডনি স্টোন এড়ানো যাবে, তার কোনও guarantee নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অন্তত ২.৫ লিটার প্রস্রাব তৈরি করা দরকার, যা কেবল জল খেয়ে সবসময় সম্ভব হয় না।
তাহলে কেন জল যথেষ্ট নয়? কারণ kidney শরীরের ছাঁকনির মতো কাজ করে, আর যখন প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম, অক্সালেট ও acid ঘনীভূত হয়, তখন পাথর গঠিত হয়। জল সেগুলোকে পাতলা করে, কিন্তু অতিরিক্ত salt খাওয়া, ভুল ডায়েট বা মেটাবলিক সমস্যা থাকলে তা কম কাজ করে। শুধু জল খাওয়ার চেয়ে ডায়েটের ভূমিকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
এক রিভিউ অনুযায়ী, খাদ্যপ্রণালী পাল্টে পাথর এড়ানো যেতে পারে: নুন কমান, কারণ তা প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম বাড়ায়; প্রয়োজনমতো ক্যালসিয়াম খান — অবাক লাগলেও তা পাথর কমাতে সাহায্য করে; প্রাণীজ protein কম খান, কারণ তা ইউরিক acid বাড়ায়; আর পালং শাক বা বিটের মতো উচ্চ অক্সালেট যুক্ত খাবার কম খান। বারবার পাথর হলে চিকিৎসক ওষুধ দিতে পারেন, যেমন পটাশিয়াম সাইট্রেট বা থিয়াজাইড ডাইইউরেটিক্স।
শেষ পর্যন্ত, কোনও magic বা শর্টকাট নেই — কিডনি স্টোন প্রতিরোধে যা কাজ করে, তা হলো সুষম জীবনযাপন। হাইড্রেশন জরুরি, কিন্তু গ্লাস গোনা বন্ধ করে প্রস্রাবের color লক্ষ করুন: হালকা হলুদ মানেই যথেষ্ট জল খেয়েছেন। উষ্ণ দেশে ঘামে জল হারানো বেশি, তাই balance রাখা জরুরি। আর যদি পাথরের ইতিহাস থাকে, তবে ডায়েট বদলানোর আগে চিকিৎসকের advice নেওয়া অপরিহার্য।
আমি বছরখানেক ধরে দিনে ৪ লিটার জল খাই, কিন্তু এখনও পাথর হয়েছে। এই study গবেষণা আমার অভিজ্ঞতাকেই সমর্থন করছে।
জল না খেলে কি প্রস্রাব কম হয় না? তখন তো আরও ঘন হবে — সেটা কি risk ঝুঁকি বাড়ায় না?
অবশ্যই জল গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু আমাদের খাবারের দিকেও নজর দিতে হবে। একটি balanced সুষম ডায়েটই হলো সমাধান।
একটা সময় মনে করা হতো ক্যালসিয়াম পাথর তৈরি করে, কিন্তু এখন দেখছি ঠিক তার উল্টোটাই সত্যি। ক্যালসিয়াম কম খেলে ঝুঁকি বাড়ে? আশ্চর্যজনক!
এত তথ্য শুনে মাথা ঘুরছে। আমি তো শুধু জল খেয়ে যাচ্ছি, এখন বুঝলাম আরও কিছু করা দরকার।
ওষুধ ছাড়া এটা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন, বিশেষ করে যাদের পরিবারে এ ধরনের সমস্যা আছে। মেটাবলিক ফ্যাক্টরগুলো অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।
আমি প্রস্রাবের রঙ দেখে জল খাই — হালকা হলুদ মানে ঠিক আছে। এটা সহজ টিপস, কাজও করে।
সব সমস্যার একটাই সমাধান নেই — এটা আবার প্রমাণ হল। শরীর নিয়ে সচেতনতা আর lifestyle জীবনধারা পাল্টানোই মূল কথা।