বিদেশি ডিজিটাল দালালদের কাছ থেকে কর আদায়: কীভাবে?
digital যুগের অর্থনীতি যেন আর কোনো গোপন বাজার না হয়, সে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ economics সমিতি। গুগল, মেটা (ফেসবুক), অ্যামাজন এবং চ্যাটজিপিটি-এর মতো বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে আয় করছে, কিন্তু তা প্রায় সম্পূর্ণভাবে করমুক্ত অবস্থায়। আগামী বাজেটে এ ধরনের প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে রাজস্ব আদায়ের প্রস্তাব নিয়ে এনবিআরের সামনে হাজির হয়েছিল এ সংগঠন। রাজধানীর রাজস্ব ভবনে অনুষ্ঠিত প্রাক্-বাজেট আলোচনায় এই দাবি তুলে ধরা হয়।
অর্থনীতি সমিতির অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সদস্য মোহাম্মদ মাসুদ আলম স্পষ্ট করে দেন, এসব foreign প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের ওপর নির্ভর করে আয় করছে, তাই তাদের ওপর বাধ্যতামূলক কর নিবন্ধন চালু করা হোক। তিনি আরও বলেন, payment গেটওয়ে থেকেই যেন automatic কর ও ভ্যাট কর্তন সম্ভব হয়। এ জন্য এনবিআর-এ একটি digital ইউনিট গঠনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে, যাতে এসব আন্তর্জাতিক লেনদেন তদারকি করা যায়।
বাংলাদেশে দ্রুত বাড়ছে ecommerce , ফ্রিল্যান্সিং এবং streaming সেবার ব্যবহার। কিন্তু এসব sector এখনো প্রায় সম্পূর্ণ করকাঠামোর বাইরে। দারাজের বিক্রেতা, ফাইভভারে কাজ করা ফ্রিল্যান্সার, নেটফ্লিক্স বা স্পটিফাইয়ের গ্রাহক — কেউ কারও কাছ থেকে কর দেয় না। এ অব্যবস্থা ঘুচিয়ে সব সেবাকে রাজস্ব নেটের মধ্যে আনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। তাদের মতে, economy যদি ডিজিটাল হয়, তবে কর ব্যবস্থাও হওয়া উচিত তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের সঙ্গে এই আলোচনায় অন্যান্য সংগঠনও তাদের মতামত তুলে ধরে। পিআরআই বলেছে, ব্যক্তিগত আয়করের সর্বোচ্চ হার ২৫ শতাংশের বেশি হওয়া উচিত নয়। তার বদলে করের আওতা বাড়ানো দরকার। কিন্তু চেয়ারম্যান জবাব দিয়েছেন, যারা অনেক বেশি আয় করেন, তাদের থেকেই উচ্চহারে আয়কর নেওয়া হোক। সম্পদের সুষম বণ্টনের জন্য এটা অপরিহার্য বলে তিনি মনে করেন।
সিপিডি-এর জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী তামীম আহমেদ প্রস্তাব করেছেন, করপোরেট করের হার কোনোভাবেই ১৫ শতাংশের নিচে না নামে। রপ্তানি এবং অভ্যন্তরীণ উভয় খাতের জন্যই এটা প্রযোজ্য হোক। এই প্রস্তাবগুলো আগামী বাজেটে কতটা প্রতিফলিত হবে, সেটা এখন অপেক্ষার বিষয়। তবে এটা স্পষ্ট, বাংলাদেশের রাজস্ব নীতি এখন ডিজিটাল ভূখণ্ডকে আর অবহেলা করতে পারবে না।
সব বিদেশি প্ল্যাটফর্ম থেকে কর আদায় করা হবে কীভাবে? সেটা নিয়ে স্পষ্টতা দরকার।
মাসুদ আলমের কথাগুলো খুব logical যুক্তিযুক্ত লাগছে। আমরা যে ডেটা ও সেবা ব্যবহার করি, সেখান থেকে কর নেওয়া উচিত।
ভ্যাট কমালে রাজস্ব বাড়ে? চেয়ারম্যানের মন্তব্য দেখে বোঝা যাচ্ছে, এটা কোনো জাদুর ছড়ি নয়। রাজস্ব বাড়াতে হলে আওতা প্রসার জরুরি।
আমি নেটফ্লিক্স ব্যবহার করি, কিন্তু কখনো ভাবিনি এটার জন্য কর দেওয়া উচিত। এখন থেকে awareness সচেতনতা বাড়ানো দরকার।
ই-কমার্সে কর চাপালে ছোট বিক্রেতাদের উপর চাপ বাড়বে। স্কেল অনুযায়ী কর নীতি হওয়া উচিত।
ডিজিটাল economy অর্থনীতি এখন অনেক বড়, কর ব্যবস্থা না হলে রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে।