রিপনের অভিষেক: ঘাসের মাঠ থেকে আন্তর্জাতিক আলোর দিকে
একটি নতুন ইনিংস শুরু হতে চলেছে, কিন্তু এবার বলটা ঘুরবে না—ঘুরবে স্বপ্ন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি series দিয়ে রিপন মন্ডলের জাতীয় দলে অভিষেক হতে যাচ্ছে। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শহীদ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তাঁকে cap পরানো হয়েছে, যেন স্বপ্নের শেষ প্রমাণ। কিন্তু এই অভিষেক আসলে একটা মুহূর্তের নয়—এর পেছনে আছে বছরের পর বছর ধরা effort আর নিয়মিততা।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে রিপনের নাম হাওয়ায় উড়েছিল আগেই—২০২৩ সালে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের জার্সিতে তিনি খেলেছিলেন। সেখানে মাত্র ৩ ম্যাচে ৪ উইকেট নেওয়া তাঁকে হালকা করে উড়িয়ে দিলেও, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বা bpl -এ তিনি ছিলেন অন্য মানুষ। ৩ দলের হয়ে ১৯ ম্যাচে ২৭ উইকেট—এই record চোখ বোঝায়। আর গত মৌসুমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পেছনে তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ৮ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে তিনি ডেথ ওভারের fear হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।
নির্বাচকদের চোখও সেখানেই গেল। কমিটির চেয়ারম্যান হাবিবুল বাশার স্পষ্ট করেছেন, রিপনের অন্তর্ভুক্তি কোনো আবেগের সিদ্ধান্ত নয়। প্রদর্শন এবং সম্ভাবনা মিলিয়ে তাঁকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন, “ডেথ ওভারে এবং শুরুর দিকে উইকেট নেয়ার ability তাঁর আছে।” এটা শুধু বল নয়—এটা বুদ্ধির খেলা। আর রিপন সেই বুদ্ধি প্রমাণ করেছেন ক্রিকেটের সবচেয়ে কঠিন সময়ে—যখন রানের চাপ চোখে আগুন ধরায়।
এদিন মাঠে নামছে ৩ পেসারের combination —রিপন, তানজিম হাসান সাকিব আর শরিফুল ইসলাম। ওপেনিংয়ে দায়িত্ব সাইফ হাসান আর তানজিদ হাসান তামিমের। ব্যাটিং লাইন-আপে লিটন কুমার দাস আর তাওহীদ হৃদয়। আর স্পিনে রিশাদ হোসেন ও শেখ মেহেদী। এই দল শুধু ম্যাচ জেতার জন্য নয়—এটা ভবিষ্যত গড়ার প্রকল্প। রিপন এর একটি মূল অংশ। তাঁর অভিষেক শুধু একটি ম্যাচের নাম নয়—এটা একটি যাত্রার স্বীকৃতি।
বিপিএলে তাঁর পারফরম্যান্স দেখে আমি জানতাম এদিন আসবে। তবে pace গতি আর নিয়ন্ত্রণের মিশ্রণটা অসাধারণ।
নতুন মুখ দেখতে ভালো লাগে, কিন্তু আশা করি এই বার সত্যিই টিকে থাকবেন।
ডেথ ওভারে উইকেট নেয়া skill দক্ষতা—অনেকেই রান দেয়, কিন্তু রিপন উলটোটা করে।
আমি ভাবছি, তাঁর স্ট্রেটার বল কি আসলেই অর্থকারী হবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে?
আব্দুল গাফফারও আসছেন, কিন্তু মিডিয়া শুধু রিপনকে নিয়ে ব্যস্ত।
একজন ঘরোয়া লিগের হিরোকে জাতীয় দলে পাওয়া ভালো লাগে। ঘাসফুলের মাঠ থেকে ইডেন!