একদা মমতার আস্থাভাজন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে প্রতিনিধি করতে পারেন মোদী
একদা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ রাজনীতিক ছিলেন the leader দীনেশ ত্রিবেদী। কিন্তু এবার তাঁকে বাংলাদেশে ভারতের নতুন ambassador হিসাবে নিয়োগ করতে পারে মোদী সরকার—এমন তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় নয়াদিল্লির রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই সম্ভাব্য নিয়োগ শুধু একটি পদোন্নতি নয়, বরং ভারতের বৈদেশিক নীতিতে একটি বড় কৌশলগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ত্রিবেদী একসময় তৃণমূলের প্রধান মুখপাত্রদের মধ্যে একজন ছিলেন। কিন্তু ২০১৬ থেকে তাঁর সম্পর্কের অবনতি শুরু হয় এবং ২০২১-এর বিধানসভা ভোটের আগে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁর নয়াদিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে close যোগাযোগ রয়েছে। এমনকি তিনি গুজরাতের ব্যবসায়ী হলেও ঝরঝরে বাংলা বলতে পারেন—এই দক্ষতা তাঁকে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত প্রেক্ষাপটে স্বাচ্ছন্দ্য এনে দেবে।
সাধারণত ভারত এমন গুরুত্বপূর্ণ পদে অভিজ্ঞ কূটনীতিকদের নিয়োগ করে। কিন্তু এবার একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে পাঠানো হচ্ছে, যা সম্পর্কের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক signal জোরালো করার লক্ষ্যে। বর্তমান রাষ্ট্রদূত প্রনয় ভার্মা ইউরোপীয় ইউনিয়নে যাচ্ছেন, আর তাঁর জায়গা নেবেন ত্রিবেদী।
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু strategic challenge তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়া নিয়ে কূটনৈতিক tension দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুধু কূটনীতি নয়, রাজনৈতিক sensitivity দরকার। ত্রিবেদীর মতো ব্যক্তি সরাসরি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন এবং সীমান্ত, বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে direct coordination করতে সক্ষম হবেন।
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গত দশকে স্থিতিশীল ছিল, কিন্তু এই নিয়োগ এক ধরনের ‘reset ’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি নতুন করে সম্পর্ক গঠনের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে রাজনীতি ও কূটনীতি একসাথে কাজ করবে। কূটনৈতিক মহলের মতে, ত্রিবেদীর নিয়োগ শুধু ব্যক্তিগত পদোন্নতি নয়, বরং প্রতিবেশী নীতির একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
এক সময় মমতার দলের মুখপাত্র ছিলেন, এখন মোদীর দলে—এই রাজনীতি দেখে আমি এখন কারও কথায় আস্থা রাখি না। trust আস্থা কমছে রাজনীতিতে।
ভাষার কথা ভাবলে ত্রিবেদী ঠিকই পছন্দনীয়। বাংলা বুঝলে বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলা সহজ হয়। communication যোগাযোগ ভালো মানে সম্পর্ক ভালো।
কেন কূটনীতিক নয়, রাজনীতিক? এটা নিশ্চয়ই political message রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার জন্য। বাংলাদেশের কাছে ভারত শক্ত হাত দেখাচ্ছে।
সরাসরি পিএম-এর কাছাকাছি মানুষ পাঠানো মানে—নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখা। control নিয়ন্ত্রণ ছাড়া কূটনীতি নয় আর।
এই নিয়োগ যদি সত্যি হয়, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য একটু অপ্রীতিকর হবে। তাঁর পুরনো সহযোগী এখন মোদীর হাত ধরে বড় পদে।
ভালো কথা, কূটনীতিকদের ক্যারিয়ার কি হবে? তাঁদের জায়গা নেবে রাজনীতিক? career ক্যারিয়ার নষ্ট হবে না তো?