Ei Muhurte: ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির তালিকায় বড় পাল্টাবদল
ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির তালিকায় এবার বড় পাল্টাবদল। দীর্ঘদিন শীর্ষে থাকার পর মুকেশ আম্বানি সেই অবস্থান হারালেন, এবং তাঁর জায়গা নিলেন গৌতম আদানি, যিনি এখন শুধু ভারতেরই নন, সমগ্র এশিয়ার top position দখল করেছেন। আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারের দাম sharp rise এবং বিভিন্ন খাতে rapid expansion তাঁকে এই অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে।
ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী, গৌতম আদানির মোট net worth বেড়ে এখন ৯২.৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা তাকে বিশ্বের ১৯তম সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির তালিকায় নিয়ে এসেছে। অন্যদিকে, মুকেশ আম্বানির সম্পদ ৯০.৮ বিলিয়ন ডলারে সীমিত, ফলে তিনি ভারত ও এশিয়ায় এখন দ্বিতীয় স্থানে। মাত্র ১.৮ বিলিয়ন ডলারের difference এতটাই কম যে একটি মাত্র ট্রেডিং সেশনেই এটি উল্টে যেতে পারে, কিন্তু বর্তমানে আদানিই ranking এগিয়ে।
এই বছর আদানি গ্রুপের কোম্পানিগুলোর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে গৌতম আদানির সম্পদ ইতিমধ্যে ৮.১ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। অন্যদিকে, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারের ক্রমাগত decline আম্বানির সম্পদ ১৬.৯ বিলিয়ন ডলার কমিয়ে দিয়েছে। সদ্য একদিনে আদানির সম্পদ ৩.৫৬ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে, আর আম্বানির মাত্র ৭৬.৭ মিলিয়ন ডলার — এই gap আর্থিক বিশ্লেষকদের মধ্যে pressure তৈরি করেছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে হিন্ডেনবার্গ প্রতিবেদনের পর আদানি গ্রুপের শেয়ারের দামে তীব্র পতন হয়েছিল, যার ফলে তিনি অনেকটা পিছিয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু এখন আবার তিনি ফিরে এসেছেন শীর্ষে। এই উত্থান-পতনের গল্প ভারতীয় corporate world তীব্র discussion তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের বাজারে প্রতিযোগিতা ক্রমশ বাড়ছে, এবং ভবিষ্যতে এমন পরিবর্তন আরও ঘন ঘন হতে পারে।
এই ঘটনা শুধু দুই ধনী ব্যক্তির মধ্যে competition গল্প নয় — এটি বড় প্রকল্প, বিনিয়োগের দৃষ্টিভঙ্গি এবং market confidence কিভাবে দ্রুত বদলাতে পারে তার এক জীবন্ত উদাহরণ। পরিকাঠামো, বন্দর, জ্বালানি ও বিমানবন্দর খাতে আদানির বিনিয়োগ এখন তাঁকে সবার উপরে নিয়ে এসেছে, আর আম্বানির ডিজিটাল ও খুচরা খাতে ফোকাস এখন প্রশ্নের মুখে। বিনিয়োগকারীরা এই shift নজর রাখছেন।
এই market shift বাজারের পাল্টাবদল দেখে সত্যিই মজা পাচ্ছি। কিন্তু আমি ভাবছি, আদানি গ্রুপের শেয়ার এত quickly দ্রুত কেন বাড়ছে? কোন খাতে এত বড় growth বৃদ্ধি?
১.৮ বিলিয়ন ডলারের পার্থক্য? এটা তো আর কিছু না, একদিনেই সব উল্টে যেতে পারে। আম্বানি ফিরে আসবেন, দেখবেন।
হিন্ডেনবার্গের পর আদানির এত উড়তে পারা — এটা কি সত্যিকারের স্থিতিশীলতা, নাকি কেবল তাত্ক্ষণিক market sentiment বাজারের মনোভাব?
আম্বানির সম্পদ কমছে, আদানির বাড়ছে — কিন্তু দুজনের কাছেই লক্ষাধিক মানুষের চাকরি। এই pressure চাপ কেউ কি ভাবেন?
পরিকাঠামো খাতে সরকারের ফোকাস আছে, তাই আদানির উত্থান। আম্বানির Jio-র চাহিদা এখন কমেছে। সময়ের change পরিবর্তন দেখছি।
দুজনেই ভারতের জন্য গর্বের — কিন্তু আমি আশা করি এই প্রতিযোগিতা শেষ পর্যন্ত public good জনকল্যাণে কাজে লাগবে, শুধু সম্পদ বাড়ানোর জন্য নয়।