ভ্যাপসা গরমে নাভিশ্বাস তোলে বঙ্গবাসী, তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৪২ ডিগ্রি, আবহাওয়া দফতরের বিশাল সতর্কতা জারি
ভ্যাপসা গরমে the heat থেকে রেহাই পাচ্ছেন না পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় তাপমাত্রা শীঘ্রই reach যেতে পারে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ইতিমধ্যেই তীব্র heatwave -এর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী তিন দিনে তাপমাত্রা আরও কয়েক ডিগ্রি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত অস্বস্তিকর weather বজায় রাখবে।
কলকাতার মতো মহানগরেও অবস্থা কিছুটা worrying । সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রিতে সীমাবদ্ধ থাকলেও আপেক্ষিক humidity ৮৯ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে। এর ফলে ভ্যাপসা condition তৈরি হয়েছে, যার কারণে শহরবাসী নাভিশ্বাস উঠছেন। আবহাওয়াবিদদের মতে, আজ বিচ্ছিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হলেও তা হবে অস্থায়ী, আর মঙ্গলবার থেকে তাপের intensity আরও বাড়বে।
উল্টো দৃশ্য উত্তরবঙ্গে। উত্তরপ্রদেশ থেকে মণিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত নিম্নচাপ অক্ষের কারণে জলীয় vapour ঢুকছে এলাকায়। ফলে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়িসহ পাঁচটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ rainfall হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর এই অঞ্চলে yellow alert জারি করেছে। কিছু জায়গায় ঘণ্টায় ৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো wind বয়ে যেতে পারে।
তবে মালদা ও দক্ষিণ দিনাজপুরও এই relief থেকে বঞ্চিত থাকবে। এখানকার মানুষকে মঙ্গলবার থেকে তীব্র গরম ও আর্দ্রতার মোকাবিলা করতে হবে। আবহাওয়া দপ্তরের মতে, উত্তরের প্রকৃতি কিছুটা generous হলেও দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের জন্য এখনই warning -ই বড় বার্তা। প্রতিবেশী রাজ্যগুলোর মধ্যে এই আবহাওয়া pattern জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তুলে ধরছে।
৪২ ডিগ্রি মানে তো পারদ নয়, human body মানুষের শরীর পুড়ে যাবে!
উত্তরে বৃষ্টি, দক্ষিণে তাপ—এটাই কি আমাদের নতুন normal স্বাভাবিক?
বাড়িতে পাখা ঘুরছে, কিন্তু feels like মনে হচ্ছে চুলায় দাঁড়িয়ে আছি।
যারা বাইরে কাজ করেন, তাদের health risk স্বাস্থ্যের ঝুঁকি কতটা বেড়েছে কেউ ভেবে দেখছে?
কলকাতার আর্দ্রতা ৮৯%? মানে তো air বাতাস নয়, জল!
এই সতর্কতা কি শুধু ঘোষণা নাকি real action বাস্তব পদক্ষেপ হবে?