উত্তরায় বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ, তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা
“new year এসেছে, এসেছে”—এই আবেগঘন ডাক নিয়ে রাজধানীর উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টর পার্কে celebration শুরু হয়েছিল বাংলা ১৪৩৩ এর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্কটি মুখরিত হয়ে উঠেছিল গান, কবিতা আর হাসির ধ্বনিতে। একটি অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের কর্মজীবীদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এসেছিলেন সংস্কৃতির এই আয়োজনে participation করতে।
দিনজুড়ে চলেছিল নানা event : পান্তা-ইলিশের আসর, কবিতা আবৃত্তি, লোকসঙ্গীত, আলোচনা সভা এবং পুরস্কার বিতরণী। প্রতিটি অনুষ্ঠানেই ছিল বাঙালির সাংস্কৃতিক identity এর প্রতিফলন। আয়োজকদের মতে, নতুন generation কে ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত রাখতে এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ।
আরও আকর্ষণ বাড়িয়েছিল তিনদিনব্যাপী বৈশাখী মেলা, যা আয়োজন করেছিল স্থানীয় কল্যাণ সমিতি। শতাধিক স্টলে দেখা যাচ্ছিল হাতের তৈরি শাড়ি, মশলা, চাকমাক এবং পাঁঠা মাংসের পাঁঠা মাংস কিন্তু দর্শকদের ভিড় ছিল সবচেয়ে বেশি। মেলার প্রতিটি কোণে ছড়িয়েছিল বাঙালির উৎসবের spirit ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি এম এ খালেক, সভাপতি আনোয়ার হোসেন মুন্সী এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। তাঁদের মধ্যে অনেকেই বলেছেন, এধরনের আয়োজন না কেবল tradition বাঁচায়, বরং সামাজিক unity এরও প্রতীক। সংস্কৃতির এই আয়োজন নিয়মিত করা হবে বলে আয়োজকরা decision জানিয়েছেন।
উত্তরা এখন শুধু আবাসনই নয়, সংস্কৃতির কেন্দ্রও হয়ে উঠছে। এমন event ইভেন্ট আরও বাড়ানো দরকার।
আমি গিয়েছিলাম, ভিড় ছিল ভয়াবহ! কিন্তু বাস্তব বাংলা culture সংস্কৃতি পেয়েছি।
পান্তা-ইলিশ খেতে পারলাম না, স্টলে ভিড়! কিন্তু কবিতা আবৃত্তি শুনে memory স্মৃতি ফিরে এল বাবার কাছে বসে পড়ার।
এসব আয়োজনে কেন সরকারি support সমর্থন কম? সংস্কৃতি রাষ্ট্রের দায়িত্বও তো।
বিদেশে থাকা বাঙালি হিসেবে এ ধরনের খবর পড়লে pride গর্ব বোধ হয়।
একটা ছোট কথা—স্টলগুলোতে প্লাস্টিকের বোতল/প্যাকেট বন্ধ করা হোক। environment পরিবেশ রক্ষাও তো আমাদের দায়িত্ব।