অভিষেককে রাহুলের কল, রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত
লোকসভায় মহিলা reservation ও আসন বৃদ্ধির বিল নাকচ হওয়ার পরপরই বিরোধী শিবিরের মধ্যে new equation তৈরির আবহ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার রাতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনালাপ করেন। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ source মারফত এই খবর প্রকাশিত হয়। সূত্র মতে, লোকসভায় বিলের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান নেওয়ার জন্য অভিষেককে appreciation জানান রাহুল।
এমন এক সময়ে এই যোগাযোগ ঘটেছে যখন পশ্চিমবঙ্গে assembly election শুরু হতে মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। এটি রাজনৈতিক significance বাড়িয়ে তোলে। আরও লক্ষণীয়, কয়েকদিন আগেই রাহুল তৃণমূলকে সরাসরি আক্রমণ করেছিলেন। সেই প্রেক্ষিতে হঠাৎ করে এই কথোপকথন দুই দলের মধ্যে coordination হতে পারে কিনা, সেই জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে।
বিরোধী জোটের বৈঠকে তৃণমূলের অনুপস্থিতি নিয়ে আগেই প্রশ্ন উঠেছিল। এই পরিস্থিতিতে রাহুল-অভিষেকের যোগাযোগ future alliance নিয়ে আবার আলোচনা তুলে ধরেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি শুধু ঔপচারিক নয়, strategic move হতে পারে।
শুক্রবার লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল ভোটাভুটিতে পেশ করা হয়। দুই দিনের বিতর্কের পর ২৯৮ ভোটে পক্ষে এবং ২৩০ ভোটে বিপক্ষে ভোট পড়ে। কিন্তু সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না পাওয়ায় বিল নাকচ হয়।
বিরোধী দলগুলোর মূল concern ছিল জনগণনার আগেই আসন বৃদ্ধির প্রস্তাব। তারা দাবি করে, এতে অনগ্রসর শ্রেণির মহিলারা exclusion হবেন। রাহুল গান্ধী সংসদে বলেন, জনসংখ্যা অনুযায়ী আসন বিন্যাসের নিয়ম অনুযায়ী জনগণনার পরেই এই প্রক্রিয়া হওয়া উচিত। বিরোধীদের ঐক্য ঘটনাটিতে স্পষ্ট হয়েছে। আর ভোটের মুখে এই সমন্বয়ের impact হবে গভীর।
এই timing সময়ে ফোন? রাজনীতি আর ভোটের হিসাব ছাড়া এর আর কিছু নেই।
বিরোধীদের ঐক্য দেখে ভালো লাগল, কিন্তু তৃণমূলের সঙ্গে coordination সমন্বয় কতটা টেকসই হবে?
রাহুল আগে আক্রমণ করলেন, আজ ফোন। রাজনীতিতে hypocrisy ভণ্ডামি আর কী হতে পারে?
জনগণনার আগে আসন বাড়ানো সত্যিই risk ঝুঁকি ছিল। বিরোধীদের stand অবস্থান ঠিক ছিল।
বিল নাকচ হওয়া ভালো, কিন্তু মহিলা empowerment ক্ষমতায়ন নিয়ে আসল কথা হচ্ছে না।
অভিষেকের সঙ্গে কথা হওয়ায় signal ইঙ্গিত পরিষ্কার—ভবিষ্যতে জোট হতে পারে।