মহিলা সংরক্ষণ বিল : দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা মেলেনি, লোকসভায় কেন্দ্র পাস করতে পারল না
লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল আজ পাশ হতে পারল না, কারণ government প্রয়োজনীয় two-thirds majority পেতে ব্যর্থ হয়েছে। সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল ২০২৬-এর জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৫২টি ভোট, কিন্তু বিলের পক্ষে পড়ে মাত্র ২৯৮টি ভোট, আর বিপক্ষে ভোট দেন ২৩০ সাংসদ। এ নিয়ে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা স্পষ্ট জানান, বিলটি পাস হয়নি।
এই ব্যর্থতার পর কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু ঘোষণা করেন যে, আরও দুটি বিল—কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন (সংশোধিত) বিল ২০২৬ এবং পুনর্বিন্যাস বিল ২০২৬—আর আজ ভোটাভুটির জন্য তোলা হবে না। এগুলি মহিলা সংরক্ষণের সঙ্গে জড়িত ছিল, কিন্তু মূল বিলের ব্যর্থতায় এগুলো স্থগিত রাখা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংযোগটিই ছিল major obstacle ।
দুই দিন ধরে চলা ম্যারাথন বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও রিজিজু মহিলা সংরক্ষণের পক্ষে strong support জানান। তাঁদের যুক্তি ছিল, এটি নারীদের empowerment -এর পথ খুলবে। কিন্তু বিরোধী শিবির, বিশেষত কংগ্রেস, এই claim নাকচ করে। রাহুল গান্ধী বলেন, এই বিলের সঙ্গে মহিলা ক্ষমতায়নের কোনও সম্পর্ক নেই।
কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বড়রা বলেন, "যারা হাথরাস, উন্নাও, মণিপুরে মহিলাদের জন্য কিছু করেনি, তারা আজ মহিলা সংরক্ষণের কথা বলছে?" তিনি আরও বলেন, সরকার যেভাবে মহিলা সংরক্ষণের সঙ্গে delimitation ও জনগণনার সংযোগ করেছে, তাতে বিলটি পাশ হওয়া impossible ছিল। এটি ছিল রাজনৈতিক strategy , নারী অধিকার নয়।
এই ভোটে ৫২৮ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন, যা লোকসভার মোট সদস্য সংখ্যার প্রায় ৯৬ শতাংশ। তবুও, প্রয়োজনীয় ভোট সংখ্যা পৌঁছানো যায়নি। এর ফলে মহিলা সংরক্ষণের পথে আরও একটি বড় setback লাগল। এখন প্রশ্ন, ভবিষ্যতে সরকার কীভাবে এই বিল নিয়ে এগোবে, আর বিরোধীরা কী দাবি জানাবে, তা নির্ভর করবে রাজনৈতিক pressure ও জনমতের ওপর।
৩৫২ ভোটের জায়গায় মাত্র ২৯৮ - এটা তো প্রকাশ্য যে government কেন্দ্র আগে থেকেই জানত পাস হবে না। তবু পেশ করল কেন?
মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা চলছে ২৫ বছর ধরে। আজও এটা political game রাজনৈতিক খেলা হয়েই রইল।
পুনর্বিন্যাস আর জনগণনা যুক্ত করাটাই ছিল main issue প্রধান সমস্যা। সেটা না করলে হয়তো পাস হত।
প্রিয়ঙ্কা গান্ধী ঠিকই বলেছেন। হাথরাস বা মণিপুরে মহিলাদের ন্যায় পাওয়ার demand দাবি কেউ করে না, কিন্তু সংরক্ষণ নিয়ে হঠাৎ করে এত উৎসাহ?
ভোট গুনে দেখুন, NDA-র সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। তাহলে claim দাবি করে লাভ কী? এটা তো গাণিতিক বাস্তবতা।
সরকার যদি সত্যিই মহিলাদের জন্য কিছু করতে চায়, তাহলে কেন এই obstacle বাধা তৈরি করল? পুনর্বিন্যাস আলাদা বিষয়।