ইসরাইলের বিরুদ্ধে এবার সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন এরদোয়ান
ফিলিস্তিন ও লেবাননে বেসামরিক জনগণের ওপর আক্রমণের জন্য ইসরাইলকে কঠোরভাবে তীব্র criticism করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। new এক ভাষণে তিনি ইসরাইলকে ‘barbaric ’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, দেশটি নির্বিচারে হত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। রোববার ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তার মন্তব্য আঞ্চলিক রাজনীতিতে তীব্র tension সৃষ্টি করেছে।
এরদোয়ান দাবি করেন, লেবাননে ইসরাইলি হামলার কারণে প্রায় ১২ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হয়েছে, যদিও যুদ্ধবিরতির claim করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইসরাইলি পার্লামেন্টে পাশ হওয়া একটি controversial law মূলত ফিলিস্তিনি বন্দীদের বিরুদ্ধে করা হয়েছে। এটি আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, প্রয়োজন হলে তুরস্ক military action নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। তিনি কারাবাখ ও লিবিয়ার মতো পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে তুরস্ক আগে সৈন্য পাঠিয়েছিল। এই warning আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে concern ছড়িয়েছে।
ইসরাইলের প্রতিক্রিয়ায় ঐতিহাসিক মন্ত্রী আমিচাই এলিয়াহু এরদোয়ানকে ‘hypocrite ’ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি তুরস্কের অতীত সামরিক হস্তক্ষেপ এবং অভ্যন্তরীণ নীতির কথা তোলেন। এই বিনিময়ে দুই রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক pressure আরও বাড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এরদোয়ানের মন্তব্য কেবল কূটনৈতিক নয়, এটি আঞ্চলিক স্থিতির জন্য একটি গভীর risk তৈরি করছে। যদি কোনো escalation ঘটে, তাহলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে তা ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই মুহূর্তে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি নজরদারি করা হচ্ছে যাতে কোনো conflict নতুন করে শুরু না হয়।
এরদোয়ান কি আসলেই সামরিক পদক্ষেপ নেবেন, না কেবল political pressure রাজনৈতিক চাপ তৈরি করছেন?
১২ লাখ মানুষ ঘরছাড়া? এটা কি confirmed নিশ্চিত তথ্য? এত বড় সংখ্যা নিয়ে সাবধানে কথা বলা দরকার।
ইসরাইল সবসময় নিজেকে ‘victim ভুক্তভোগী’ হিসেবে দেখায়, কিন্তু এখন তারা আক্রমণকারীর ভূমিকায়।
কারাবাখে তুরস্কের intervention হস্তক্ষেপ ছিল অন্য রকম। ইসরাইলের বিরুদ্ধে এটা কতটা কার্যকর হবে?
এই ধরনের rhetoric বক্তৃতা শুধু আরও হিংসা বাড়ায়। শান্তি চাই, আরও যুদ্ধ নয়।
বিশ্লেষকরা ঠিকই বলেছেন, এটা শুধু কথা নয়, একটা বাস্তব threat হুমকি।