ইসরায়েলের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিতের জন্য তীব্র চাপের মুখে ইইউ
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) ওপর international pressure ক্রমশ বাড়ছে ইসরায়েলের সঙ্গে বিশেষ trade agreement সাময়িকভাবে স্থগিত করার জন্য। লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হচ্ছে human rights এবং গণতান্ত্রিক মানদণ্ডের, যা ২০০০ সালে কার্যকর হওয়া 'অ্যাসোসিয়েশন এগ্রিমেন্ট'-এ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। গাজায় চলমান সামরিক অভিযান এবং বসতি স্থাপনের কারণে স্পেন, আয়ারল্যান্ড ও স্লোভেনিয়া এই চুক্তি নিয়ে serious concerns প্রকাশ করেছে।
স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেস international law এবং জাতিসংঘের নির্দেশনা মানা উচিত বলে মন্তব্য করেন, এটি না করলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের defeat হবে। অন্যদিকে, জার্মানি, হাঙ্গেরি এবং চেক প্রজাতন্ত্রের মতো দেশ oppose করছে, তাদের মতে প্রথমে dialogue চালিয়ে যাওয়া উচিত। বেলজিয়াম অন্তত আংশিক suspension সমর্থন করছে।
বর্তমানে ইইউ হলো ইসরায়েলের বৃহত্তম trading partner , তাই এই চুক্তি বন্ধ হলে অর্থনীতির ওপর massive impact পড়বে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ ৬০টির বেশি মানবাধিকার সংস্থা demand জানিয়েছে, যা ইতিমধ্যে ইউরোপীয় কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১০ লাখ ইউরোপীয় citizen এই গণদাবিতে স্বাক্ষর করেছেন।
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় গত কয়েক বছরে ৭১,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি killed হয়েছেন, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে war crimes অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।
এই সব developments মাথায় রেখে ইইউ-এর পক্ষ থেকে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা আন্তর্জাতিক diplomacy এবং মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত দেবে। এটি শুধু একটি economic deal নয়, বরং নৈতিক ও আইনি principles প্রশ্নও হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাণিজ্য আর মানবাধিকারের মধ্যে ভারসাম্য রাখা কঠিন, কিন্তু এই pressure চাপ ইইউ-কে জবাবদিহি করতে বাধ্য করবে।
আমি ভাবি, কতটা real বাস্তব চাপ আছে? নাকি আবার কথার মালা গাঁথা হবে?
৭১ হাজার civilian অসামরিক মানুষ মারা গেল, আর আমরা এখনো বাণিজ্যের কথা বলছি? এটা নৈতিকভাবে unacceptable অগ্রহণযোগ্য।
জার্মানি আর হাঙ্গেরি কেন বিরোধিতা করছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে এটা স্পষ্ট যে economic interest অর্থনৈতিক স্বার্থ কখনো মানবাধিকারকে ছাড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়।
আমি আশা করি ইইউ আসলেই একটি bold move সাহসী পদক্ষেপ নেবে। নতুন যুগের global standard বৈশ্বিক মান গড়ে তুলতে হবে।
ICC-এর গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে, কিন্তু কতটা effective কার্যকর হবে তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। ক্ষমতার বিরুদ্ধে আইন কতটুকু টিকবে?
আন্তর্জাতিক norms মানদণ্ড মানা উচিত, নইলে ইইউ-এর credibility বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হবে।
এই ধরনের crisis সংকটে নীতির চেয়ে মানবিকতা বড় হওয়া উচিত।