ইসরায়েল নিরাপত্তার অজুহাতে আরও ‘ভূমি দখল’ করছে: তুরস্ক অভিযোগ
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকেই গাজায় যুদ্ধ শুরু হয়েছে, আর সেই সময় থেকে ইসরায়েল ও তুরস্কের মধ্যে tension ক্রমাগত বেড়েছে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান সদ্য আন্টালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরামে বলেছেন, ইসরায়েল তার নিরাপত্তার claim ঘিরে আরও land করছে—যা কেবল একটি excuse ।
ফিদান ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে উদ্দেশ্য করে বলেন, 'ইসরায়েল নিজের নিরাপত্তার পেছনে ছুটছে না। দেশটি ছুটছে আরও জমির পেছনে।' তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক মহলে এমন একটি false narrative তৈরি করেছে যেন তারা কেবল নিজেদের security রক্ষা করছে, কিন্তু বাস্তবতা অন্যরকম।
হাকান ফিদানের মতে, গাজা ও পশ্চিম তীর থেকে শুরু করে পূর্ব জেরুজালেম, লেবানন পর্যন্ত ইসরায়েল একটি expansion নীতি অনুসরণ করছে। তিনি স্পষ্ট করেন, এটি কোনো ক্ষণস্থায়ী action নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ।
তিনি আহ্বান জানান যে এই ধরনের দখলদারি বন্ধ হওয়া necessary । তিনি বলেন, 'এলাকায় শান্তি কেবল তখনই সম্ভব যখন প্রতিটি দেশ তার নিজস্ব সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং security ভোগ করতে পারবে—অন্য কারও ওপর force নয়।'
এই মন্তব্যগুলি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে debate তৈরি করেছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, তুরস্কের ভাষা এখন আরও direct হয়েছে, যা আঞ্চলিক সম্পর্কে নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।
নিরাপত্তা বলতে কি কেবল আরও জমি দখল করাকেই বোঝায়? এটা তো স্পষ্ট অসামঞ্জস্য।
তুরস্ক ঠিক সময়ে কথা বলেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এখন pressure চাপ দিতে হবে।
এই ধরনের expansion সম্প্রসারণ দীর্ঘমেয়াদে কারও নিরাপত্তা বাড়ায় না, বরং আরও সংঘাত ডেকে আনে।
শান্তি চাইলে প্রথমে দখলদারিত্ব বন্ধ করতে হবে। এটা খুব সাধারণ logic যুক্তি।
তুরস্ক কি কেবল আওয়াজ তুলছে, নাকি কোনো বাস্তব action পদক্ষেপ নেবে?
গাজা, পশ্চিম তীর, লেবানন—এত জায়গায় হস্তক্ষেপ করলে region অঞ্চল জুড়ে অস্থিরতা বাড়বেই।