সিলেটের ফলাফল লন্ডনের আবহাওয়ার মতো ওঠানামা: শিক্ষামন্ত্রী
সিলেটের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল লন্ডনের আবহাওয়ার মতো ওঠানামা করে—এমন তীক্ষ্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, সিলেট প্রবাসী সম্প্রদায়ের আর্থিক সামর্থ্য সত্ত্বেও শিক্ষার মানের improvement ঘটছে না। একই অঞ্চলের ভেতরেই শিক্ষার opportunity অসমভাবে ছড়িয়ে আছে, যা চিন্তার কারণ।
মন্ত্রী জানান, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার risk রয়েছে। সেগুলোতে উচ্চ ফি আদায় হচ্ছে, কিন্তু শিক্ষার মান, পাঠ্যক্রমের সামঞ্জস্য এবং সামাজিক responsibility নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুধু ধনীদের জন্য শিক্ষা হয়ে দাঁড়ালে দেশের মোট শিক্ষাব্যবস্থায় inequality তৈরি হবে।
তিনি ঘোষণা করেন, সরকার শিক্ষাখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ investment বাড়াবে। কারিকুলাম সংস্কার, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তি ভিত্তিক learning system চালু করা হবে। সব ধরনের প্রতিষ্ঠান—বাংলা মাধ্যম, ইংলিশ মিডিয়াম বা মাদ্রাসা—একটি একীভূত policy আওতায় আসবে।
কোচিং সেন্টারগুলোকে আইনের regulation আনার পরিকল্পনা রয়েছে। মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা ভালোভাবে পড়ানো না দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ে যেতে হয়। ছয় লেনের সড়ক প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি ভাবে relocate করা হবে। সরকার ভবন তৈরি করবে, শুধু জায়গা চাই।
মন্ত্রী তাঁর বিরুদ্ধে ফেসবুকে trolling এবং ম্যানেজমেন্ট কমিটি নিয়ে সমালোচনার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কারণে কিছু মন্তব্য করা হয়, কিন্তু তা নিয়ে পরে বাড়াবাড়ি করা হয়। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষার মান উন্নত করাই তাঁর মূল goal ।
ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোতে ফি আকাশছোঁয়া, কিন্তু শিক্ষার quality মান তেমন না। নিয়ন্ত্রণ দরকার।
সিলেটের ফলাফল সত্যিই ওঠানামা। এক বছর ভালো, পরের বছর খারাপ। pressure চাপ বাড়ছে।
আমার ছেলে কোচিং যায় কারণ স্কুলে পুরো syllabus সিলেবাস শেষ হয় না। সরকার এদিকে নজর দিক।
মন্ত্রী বলেন সবাই কাজ করুক, কিন্তু নিজেদের জবাবদিহিতা কোথায়?
বৈষম্য কমানোর কথা বলছেন, কিন্তু কার্যকর action পদক্ষেপ দেখছি না। শুধু ঘোষণা।
৫% জিডিপি বিনিয়োগ ভালো, কিন্তু implementation বাস্তবায়ন হবে না হয় সেটাই ভয়।