টেলিনর সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক: ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে নতুন পরিকল্পনা
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিনর গ্রুপের সিইও বেনেডিক্টে শিলব্রেড ফাসমারের সৌজন্য meeting হয়েছে। আজ সোমবার সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এই high-level বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের plan এবং ভবিষ্যতের বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল transformation ত্বরান্বিত করতে foreign investment অপরিহার্য। তিনি জোর দেন যে সরকার investment-friendly পরিবেশ তৈরি করতে নীতি সহায়তা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এটি ভবিষ্যতে আরও strong করা হবে।
অন্যদিকে, টেলিনর গ্রুপের সিইও বেনেডিক্টে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক progress প্রশংসা করেন। তিনি জানান, তারা বাংলাদেশে সেবার মান upgrade , ডিজিটাল সেবা expansion এবং ভবিষ্যতে ৫জি প্রযুক্তি বিস্তারে interest রাখেন। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়া হবে একটি প্রাথমিক goal ।
এই আলোচনা শুধু ঔপচারিক সাক্ষাৎ নয়, এটি নীতিগত decision এবং বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতীয় infrastructure গড়ার প্রতি সরকারের আন্তরিকতা দেখায়। এমন সহযোগিতা ভবিষ্যতে জনগণের উপর impact ফেলবে, বিশেষ করে ডিজিটাল সেবা এবং তথ্য প্রযুক্তির access সম্প্রসারিত হলে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং টেলিনর গ্রুপের প্রতিনিধিরা। এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ সূচিত করে যে সরকার বেসরকারি খাতের support এবং বৈদেশিক বিনিয়োগের উপর কতটা focus রাখছে। এটি জনগণের trust বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক market জুড়ে বাংলাদেশের ছবি উজ্জ্বল করতে সাহায্য করবে।
এই ধরনের বৈঠক ভালো, কিন্তু আসল কথা হলো কতটা quickly দ্রুত প্রত্যন্ত এলাকায় ৫জি পৌঁছবে। সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ, বাস্তবায়ন কঠিন।
টেলিনর গ্রুপ আগেও বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেছে, কিন্তু নেটওয়ার্কের quality মান নিয়ে অনেক অভিযোগ আছে। নতুন পরিকল্পনা কি শুধু ঘোষণা, নাকি বাস্তব change পরিবর্তন?
সরকার যদি বেসরকারি খাতকে সত্যিই support সমর্থন করতে চায়, তাহলে নিয়ন্ত্রণ এবং করের pressure চাপ কমানো উচিত। নইলে বিনিয়োগ টিকবে না।
আমরা শুনি অনেক promise প্রতিশ্রুতি, কিন্তু গ্রামের মানুষ এখনও ৪জিতে সংগ্রাম করছে। ৫জি নিয়ে আলোচনা আগের চেয়ে এখন অনেকটা কৌশলগত।
বিদেশি বিনিয়োগ ভালো, কিন্তু স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কোনো responsibility দায়িত্ব? তাদের দক্ষতা বাড়ানো হচ্ছে কি না, সেটা জানা দরকার।
আন্তর্জাতিক কোম্পানির সঙ্গে এমন collaboration সহযোগিতা সত্যিই আশার আলো। আশা করি, এটি শুধু কথা না হয়ে real বাস্তব উন্নয়নে পরিণত হবে।