ভাঙ্গার বিজয়: ক্রেস্ট নয়, সম্প্রদায়ের আস্থার জয়
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য complex আজ শুধু একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র নয়—এটি গোটা দেশের কাছে এক অনন্য উদাহরণ। স্বাস্থ্যসেবার quality উন্নয়নে অসাধারণ অবদানের জন্য এটি ঘোষিত হয়েছে দেশের সেরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এই স্বীকৃতি কোনো হঠাৎ ঘটনা নয়; এর পেছনে আছে ধারাবাহিক পরিশ্রম, dedicated উদ্যোগ, এবং রোগীদের প্রতি গভীর মানবিক দায়বদ্ধতা। সেই প্রতিষ্ঠানের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তানসিভ জুবায়ের নাদিমের নেতৃত্বে এখন চিকিৎসা হচ্ছে আরও accessible , সেবা হয়েছে আরও efficient ।
১৮ এপ্রিল শনিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় ‘ইউএইচএফপিও সম্মেলন ২০২৬’, যেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে ডাঃ জুবায়েরের হাতে তুলে দেওয়া হয় সম্মাননা crest । প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাতে হাতে তুলে দেন এই বিশেষ সম্মান, যা শুধু একজন কর্মকর্তার নয়, গোটা ভাঙ্গার স্বাস্থ্যসেবার দৃঢ় প্রতিজ্ঞার প্রতীক। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ—সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ঘিরে তুলেছে এই মুহূর্তের গুরুত্ব। এই ঘটনা স্পষ্ট করে যে, গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবাও পারে জাতীয় recognition আদায় করতে।
মূল্যায়নের ভিত্তি ছিল চারটি মূল ক্ষেত্র: সেবার মান, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা, রোগীসেবা, এবং innovative কার্যক্রম। এসব ক্ষেত্রে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছিল অগ্রণী। তাদের কাজে ফুটে উঠেছে আধুনিক treatment সুবিধার বিস্তার, রোগীদের জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ, এবং স্থানীয়দের trust অর্জনের দৃঢ় ভিত্তি। এ হাসপাতাল শুধু চিকিৎসা দেয় না, এটি গড়ে তুলছে একটি আশার আলো—যে স্বাস্থ্যসেবা হতে পারে ন্যায্য, দ্রুত, এবং মানবিক।
ডাঃ তানসিভ জুবায়েরের নেতৃত্ব কেবল কর্মীদের মধ্যে অনুপ্রেরণা জাগিয়েছে, তা ছড়িয়ে পড়েছে সমগ্র উপজেলায়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ—সবাই এই অর্জনে আনন্দিত। এটি কোনো কেন্দ্রীয় নগরের উন্নয়ন ঘটনা নয়; এটি গ্রামীণ বাংলাদেশের মাটি থেকে উঠে আসা এক সত্যিকারের সাফল্য। এই হাসপাতাল এখন দক্ষিণ বঙ্গের ২১টি জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে। এদের কাজ প্রমাণ করে যে, নেতৃত্ব এবং প্রতিশ্রুতি থাকলে দূর্গম এলাকাও হতে পারে আদর্শের উদাহরণ।
এই পুরস্কার শুধু একটি ক্রেস্ট নয়—এটি ভাঙ্গার মানুষের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার স্বীকৃতি। এটি এমন একটি বার্তা ছড়াচ্ছে যা অন্যান্য উপজেলাকে অনুপ্রাণিত করবে। স্বাস্থ্যসেবা যে কেবল শহরের মানুষের জন্য নয়, গ্রামের নাগরিকদের জন্যও হাতের মুঠোয়, সেই বাস্তবতা গড়ে তুলতে এগিয়ে এসেছে ভাঙ্গা। এখানকার সাফল্য শুধু একটি পুরস্কারের বিজয় নয়—এটি সম্ভাবনার জয়, service জয়, এবং community জয়।
ভাঙ্গার মতো এলাকায় এমন সাফল্য আমাকে আশাবান করে। কিন্তু এই success সাফল্য কি টেকসই হবে?
ডাঃ জুবায়েরের প্রচেষ্টা অবশ্যই প্রশংসনীয়। গ্রামীণ মানুষের জন্য এটা বড় কিছু।
ঢাকায় একটা অনুষ্ঠানে ক্রেস্ট পাওয়া ভালো, কিন্তু রোগীরা প্রকৃতপক্ষে কি সেবা পাচ্ছে? সেটাই জবাবদিহিতা।
আমাদের গ্রামেও এমন কিছু হবে কি? স্থানীয় কর্মকর্তারা তো অনেক সময় অনীহা দেখায়।
একজন নারী কর্মকর্তা এত উঁচুতে পৌঁছানো শুধু স্বাস্থ্যসেবা নয়, নারীশক্তির জন্যও অনুপ্রেরণা।
দূরবর্তী এলাকায় উন্নয়ন মানেই সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠা। এটা শুধু healthcare স্বাস্থ্যসেবা নয়, মানবাধিকারের বিষয়।
ক্রেস্টটা কি রাখা হবে হাসপাতালে? নাকি শুধু অফিসে? সেটা দেখে বোঝা যাবে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আশা করি এই সাফল্য অন্যদের জন্য একটা রোডম্যাপ হবে। model নজির তৈরি করা গেছে—এখন ছড়িয়ে দেওয়ার পালা।