নর্থ আমেরিকায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর রেকর্ড অর্জন
উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশি ছবি এখন শুধু প্রবাসী বাঙালিদের হৃদয়েই নয়, বাজারেও জায়গা করে নিচ্ছে। তানিম নূর পরিচালিত ছবিটি বনলতা এক্সপ্রেস মুক্তির মাত্র দ্বিতীয় সপ্তাহান্তেই আয় করেছে ৩ লাখ ৬১ হাজার ডলার, যা উত্তর আমেরিকার বাজারে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি।
এই success নিয়ে পরিচালক তানিম নূর দর্শকদের প্রতি gratitude জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিদেশে বসবাসকারী বাঙালি দর্শকদের ভালোবাসা ও সমর্থনই এই achievement পেছনের মূল কারণ।
আগে মেজবাউর রহমান সুমনের হাওয়া ছিল শীর্ষে, যা আয় করেছিল প্রায় ৩ লাখ ৫৮ হাজার ডলার। এখন বনলতা এক্সপ্রেস সেই স্থানকে surpassed গেছে। শরীফুল রাজ ও নাজিফা তুষি অভিনীত এই ছবি পরিবেশনা করছে স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো, যা নির্বাচিত সিনেমার জন্য পরিচিত।
তালিকার বাকি অংশে রয়েছে রায়হান রাফী পরিচালিত পরাণ (১.৮৯ লাখ), তানিম নূরের নিজের উৎসব (১.৭৭ লাখ), এবং তুফান (১.৫ লাখ ডলার)। এগুলো দেখায় যে ঢালিউড gradually একটি consistent উপস্থিতি তৈরি করছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, দর্শকদের ব্যাপক response দেখে বনলতা এক্সপ্রেসের আয় আরও increase পারে। এটি কেবল একটি ছবির সাফল্য নয়, বরং বাংলাদেশি storytelling বলার ক্ষমতার প্রমাণ—যা সীমানা পেরিয়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।
৩.৬১ লাখ ডলার? এটা আসলেই অসাধারণ একটা figure চিত্র। দেখতে ভালো লাগছে আমাদের ছবি আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।
তানিম নূর আবার নিজের ছবি নিয়ে রেকর্ড? উৎসবের পর এখন বনলতা? একটু bias পক্ষপাত মনে হচ্ছে না?
হাওয়া ছিল শক্তিশালী, কিন্তু বনলতা এক্সপ্রেস আরও ভালো পারফর্ম করলে মানে দর্শকদের taste স্বাদ বদলাচ্ছে। নতুন যুগ শুরু হচ্ছে।
শরীফুল রাজ আবার টপ ফাইভে? একাই যেন বাইরের বাজার টেনে চলছেন।
স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো আসলেই ভালো কাজ করছে। তারা যে platform মঞ্চ দিচ্ছে, সেটা ছাড়া এত ছড়িয়ে পড়া সম্ভব না।
ডলারে আয় শুনলে ভালো লাগে, কিন্তু কখন বাংলাদেশেই এই ছবি এতটা আয় করবে? reality বাস্তবতা তো আরেক রকম।
পরাণ এখনো তৃতীয় স্থানে? আমি ভেবেছিলাম এটা আরও উপরে থাকবে।
এই গতি যদি ধরে রাখা যায়, তাহলে আগামী বছরগুলোয় আরও বড় কিছু হওয়া সম্ভব।