সাড়ে ১৭শ কোটির মাইলফলক ছুঁয়ে ‘ধুরন্ধর ২’
আদিত্য ধর পরিচালিত blockbuster 'ধুরন্ধর ২', বক্স অফিসে একের পর এক record ভাঙছে। মুক্তির মাত্র ৩০ দিনের মধ্যে ছবিটির বিশ্বব্যাপী আয় পৌঁছেছে সাড়ে ১৭শ কোটি টাকার মাইলফলকে, যা ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এখনও দুঃসাহসিক achievement হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, 'ধুরন্ধর ২'-এর এই success পেছনে রয়েছে অব্যাহত দর্শক support এবং মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ১,০০০ কোটি টাকা অতিক্রম করার মতো দ্রুত growth । এটি ভারতীয় সিনেমার history দ্রুততম এক হাজার কোটি ক্লাবে প্রবেশের মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
বিশ্বব্যাপী ১,৭৪২.২৩ কোটি টাকার আয়ের মধ্যে ১,১০৫ কোটি এসেছে শুধুমাত্র ভারত থেকে, আর বিদেশি market থেকে আয় হয়েছে ৪১৮ কোটি টাকা। উত্তর আমেরিকায় ছবিটি এখন leading ভারতীয় চলচ্চিত্রগুলোর একটি, যা সাংস্কৃতিক প্রভাবের global প্রসারকে নির্দেশ করে।
মুক্তির ৩০তম দিনেও ছবিটি ভারতে ৪,০০০-এর বেশি শো থেকে ২.৭০ কোটি এবং বিদেশে ০.৮৫ কোটি টাকা আয় করেছে। এই ধরনের স্থিতিশীল performance নির্দেশ করে যে ছবিটি শুধু প্রথম সপ্তাহের আবেগে নয়, বরং দর্শকদের আসল trust পেয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে 'ধুরন্ধর ২' ভারতীয় চলচ্চিত্রের বক্স অফিসে একটি নতুন chapter সৃষ্টি করবে। এটি না শুধু আয়ের figure , বরং ভারতীয় সিনেমার আন্তর্জাতিক সম্ভাবনার একটি strong বার্তা।
১,৭৪২ কোটি? এটা আসলেই massive বিশাল পরিমাণ। কত সিনেমা এক বছরে এত আয় করে?
উত্তর আমেরিকায় এত আয় হওয়া মানে দর্শকদের taste রুচি বদলাচ্ছে। আগে শুধু হলিউড নিয়ে ছিল, এখন ভারতীয় গল্পও স্পেস পাচ্ছে।
বিদেশি বাজার থেকে ৪১৮ কোটি আয়—এটা যদি profit মুনাফা হয়, নির্মাতারা পরবর্তী পর্বে আরও বড় বাজেট দেবে।
আমেরিকায় এত শো কীভাবে হয়? এখানে তো ভারতীয় ছবির reach পৌঁছানো এখনও সীমিত। কোনো বিশেষ পরিকল্পনা ছিল?
মুক্তির ৩০ দিনেও আয় হচ্ছে—মানে ছবি এখনও buzz বাজছে। সাধারণত প্রথম সপ্তাহের পর সব শান্ত হয়ে যায়।
আয় হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু এর মানে কি পরবর্তী ছবিগুলো quality গুণগত মান কমবে? হিট ফর্মুলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকি আছে।