ভাঙা ব্যাট, ধুলোয় মুখর: ক্রিকেটারদের মূর্তি কি আমাদের অবহেলার প্রতীক?
cricketers সেই নীরব ভাস্কর্যগুলো আগে ছিল উৎসবের, প্রেরণার—আজ সেগুলো পড়ে আছে ধুলোয়, উপেক্ষায়। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম সংলগ্ন সড়কের সাগরিকার মুখে এখন দাঁড়িয়ে আছে কেবল ভগ্ন স্মৃতি। হাত-পা ভাঙা, গলায় রশি, ব্যাটহীন ব্যাটসম্যান—এগুলো আর মাত্র মূর্তি নয়, silence অভিযোগ। এই ভাস্কর্যগুলো যেন ক্রিকেটপ্রেমীদের হারানো আত্মার প্রতীক, যাদের গলা এখন শুধু ধূলোয় মুখর।
একটি মূর্তির এক পা ভেঙে গেছে, তার জায়গায় bamboo দিয়ে ঠেস দেওয়া। আরেকটির হাত ছিন্ন, ব্যাট কেউ কেড়ে নিয়েছে—হয়তো কোনো শিশু খেলার জন্য, নয়তো theft । রং উঠে গিয়েছে, লাল-সবুজ জার্সি এখন ধোঁয়াটে, ময়লা আবর্জনা জমে আছে মূর্তির পাদদেশে। এ কোনো ভাস্কর্য প্রদর্শনী নয়, এ এক পরিতাপের gallery —যেখানে প্রতিটি মূর্তি এক অসমাপ্ত ইতিহাস।
বছরের পর বছর ধরে কোনো maintenance হয়নি। কেউ দেখেনি, কেউ সাড়া দেয়নি। অথচ এরা সেই ক্রিকেটাররা, যাদের নামে উৎসব হয়, যাদের ছবি ঝলমল করে টিভি পর্দায়। কিন্তু এখানে, সড়কের কিনারায়, তারা ভাঙা গলায় রশি বাঁধা হাতে দাঁড়িয়ে আছে। এ কি শুধু মূর্তির অবহেলা, না আমাদের নিজেদের প্রতি অবজ্ঞা? একটি sculpture শুধু ধাতু আর মাটি নয়—এটি স্মৃতির গভীরে গাঁথা আবেগ।
এই স্টেডিয়াম চট্টগ্রামের ক্রিকেট heritage বহন করে, কিন্তু তার চারপাশের এই ভাস্কর্যগুলো আজ তারই বিপরীত ছবি তুলে ধরে। কেউ গলায় রশি পেঁচিয়ে দেয়—কেন? কোনো বিদ্রূপ? নাকি শুধুই উদাসীনতা? ময়লা আবর্জনা, ধুলো, ক্ষয়—প্রতিটি বিস্তারিত অযত্ন এর নিদর্শন। ক্রিকেট আমাদের জাতীয় আবেগ, কিন্তু এই আবেগের প্রতীকগুলো কি এমনই ভাবে ভুলে যাব আমরা?
এই মূর্তিগুলো হয়তো আবার সংস্কার করা হবে। কিন্তু সেটা যদি শুধু রং লাগানো আর ব্যাট লাগানো হয়, তাহলে সমস্যার গভীরে পৌঁছাবে না। আসল প্রশ্ন হলো, আমরা কি সত্যিই আমাদের sportsmen সম্মান করি? নাকি শুধু মাঠে জয় হলে তাদের মুখ মনে পড়ে? এই art যেন আমাদের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির আয়না—একটি ভাস্কর্যের গলায় রশি বাঁধা হলে, তার অর্থ হয়তো আমাদের সংস্কৃতির গলায় টান পড়েছে।
shocked অবাক লাগছে, এমন ভাস্কর্য কেন এভাবে ফেলে রাখা হয়?
আমরা শুধু ম্যাচের সময় ক্রিকেটারদের মনে রাখি, বাকি সময় forget ভুলে যাই।
একটা ব্যাট ভাঙা গেলে তো ম্যাচ চলে, কিন্তু এখানে পুরো শিল্প ভাঙছে আমাদের চোখের সামনে।
অশ্রদ্ধা এর চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না। এগুলো শুধু মূর্তি নয়, আমাদের গর্ব।
কেউ কি একটা অনলাইন আবেদন শুরু করবে? কিছু তো করা দরকার।
আবর্জনা ফেলা হচ্ছে মূর্তির সামনে? এটা তো শহরের মানুষের attitude মানসিকতা দেখাচ্ছে।
বাঁশ দিয়ে ঠেস দেওয়া মূর্তি দেখে মন খারাপ হয়ে গেল।
এগুলো পুনরুদ্ধার করা হোক, নতুন প্রজন্মের জন্য এটা important গুরুত্বপূর্ণ।