মোবাইল ছাড়া মাঠে নামুক বাচ্চা — স্বাস্থ্য সচিব
বাচ্চাদের আঙুলের ডগায় জমে থাকা ডিজিটাল screen ছাড়া আর কিছু দেখা যাচ্ছে না আজকাল — মাটির মাঠ, খেলার মজা, বইয়ের গন্ধ কোথায় হারিয়ে গেল? স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলছেন, এই ফিরিয়ে আনতে হবে সন্তানদের table আর field । শুধু পড়াশোনা নয়, খেলাধুলাও তাদের গঠনমূলক বিকাশের অংশ। যখন তারা সত্যিকারের জীবনের মাঠে নামবে, তখনই তারা দেশের প্রকৃত asset হয়ে উঠবে।
এ কথা বললেন নোয়াখালীর মাইজদী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক ceremony , যেখানে তিনি প্রধান অতিথি ছিলেন। তাঁকে সম্প্রতি ক্লাবের নোয়াখালী জেলা সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে, এ উপলক্ষেই এই আয়োজন। তিনি বলেন, মোবাইল আর স্ক্রিন থেকে শিশুদের distance রাখা জরুরি। স্ক্রিনের আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে শারীরিক activity , সামাজিক যোগাযোগ, এমনকি ঘুমের ধরনও। তাই ফিরিয়ে আনা দরকার প্রাকৃতিক খেলার জগত।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সাবেক অধ্যক্ষসহ বিভিন্ন dignitary ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশিদ আজাদ, আর সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির অ্যাডভোকেট রবিউল হাসান পলাশ। স্বাস্থ্য সচিব বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে মোহামেডান ক্লাবকে একটি ideal সংগঠন গড়ে তোলা সম্ভব। তাঁর মতে, এ ধরনের সংগঠন শুধু খেলার জন্যই নয়, সমাজ গঠনেও ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও বলেন, সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব শুধু স্কুলের নয়, পরিবার ও সমাজেরও। বইয়ের পাশাপাশি খেলার মাঠও হওয়া উচিত তাদের দৈনিক routine অংশ। এ না হলে শুধু ক্লাসের performance ভালো হবে, কিন্তু সামগ্রিক growth থেকে বঞ্চিত হবে তারা। শারীরিক সক্ষমতা, দলগত কাজের দক্ষতা, নেতৃত্ব — এ সবই মাঠে গড়ে ওঠে, না হয় কেবল স্ক্রিনের আলোয়। তাই প্রয়োজন একটি ভারসাম্যপূর্ণ lifestyle ।
আমার ছেলে প্রতিদিন ৬ ঘণ্টা মোবাইলে খেলে। এখন কী করব? balance ভারসাম্য আনা কঠিন, কিন্তু দরকার।
বাচ্চারা আর মাঠে যায় না। সবাই গেম খেলে। পড়ার টেবিলে বসলেও ফোন হাতে।
মানসিক চাপ কমে, ঘুম ভালো হয় — এগুলো benefit সুবিধা শুধু শারীরিক খেলাতেই মেলে।
মাইজদী মোহামেডান ক্লাবের মতো প্রতিষ্ঠান সত্যিই inspiration অনুপ্রেরণা দিতে পারে।
সচিব ঠিক বলছেন, কিন্তু স্কুলগুলোতে খেলার জন্য সময় কই?
আমি ছোটবেলায় দিনে ৪ ম্যাচ ক্রিকেট খেলতাম। এখন ছেলে বাইরে যেতে চায় না।