দেয়ালের লেখা আর ক্যাম্পাসের গুপ্ত রাজনীতি: খোলামেলা হবে কি লুকোচুরি?
দেয়ালে লেখা কয়েকটি বাক্য এখন পুরো এলাকায় conversation বিষয় হয়ে উঠেছে। গলাচিপা সরকারি কলেজের দেয়ালে লেখা হয়েছে, ‘হাদি ব্যবসা নিপাত যাক, ওসমান হাদি বিচার পাক, গুপ্ত রাজনীতি ক্যাম্পাসে চলবে না।’ ছবিটি প্রথমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যা পোস্ট করেছেন কলেজ শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিশাত আহম্মেদ। এরপর থেকেই এটি নিয়ে শুরু হয় tension আর রাজনৈতিক বিতর্ক। ক্যাম্পাসের মাটি কেঁপে উঠেছে কয়েকটি শব্দে—যেন একটি warning শুনিয়েছে অদৃশ্য কারও দিকে।
নিশাত আহম্মেদ স্পষ্ট করেছেন, রাজনীতি হওয়া উচিত open । তার মতে, ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে গুপ্ত রাজনৈতিক কার্যক্রম চললে চলবে না। decision নেওয়া হয়েছে—গোপন রাজনীতি বন্ধ। পাশে দাঁড়িয়েছেন সহ-সভাপতি জিএম সফিক, যিনি বলছেন, ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি স্থান পাবে না। প্রত্যেকের রাজনৈতিক identity প্রকাশ করা আবশ্যিক।
অন্যদিকে, ছাত্রশিবিরের উপজেলা সভাপতি কাজী খায়রুল হাসান এটিকে বলেছেন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। তার দাবি, গুপ্ত রাজনীতির অভিযোগ তোলা হচ্ছে অপরাজনীতির অংশ হিসেবে। তিনি ফেসবুকে শেয়ার করা ভিডিওতে বলেছেন, ছাত্রদল প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু করেছে। আদু ভাইদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আগেই সতর্ক করেছিলেন আল্লামা সাঈদী—এমনটাও উল্লেখ করেছেন তিনি। এখানে প্রশ্ন উঠছে: ক্যাম্পাস কি হবে খোলা আঙিনা, নাকি লুকোচুরির game মাঠ?
পুলিশও এখন ঘটনার দিকে নজর দিয়েছে। গলাচিপা থানার ওসি মো. জিল্লুর রহমান জানিয়েছেন, তারা ঘটনাস্থলে police পাঠিয়েছেন। তদন্ত চলছে, আর শীঘ্রই update দেওয়া হবে। এখন সবার চোখ সেই দেয়ালের দিকে—যেখানে কয়েকটি লাল কালিতে লেখা বাক্য হয়ে উঠেছে এক symbol , এক রাজনৈতিক statement , এক অদৃশ্য যুদ্ধের start ।
public সব রাজনীতি যদি প্রকাশ্যে হয়, তাহলে ক্যাম্পাসে শান্তি আসবে।
গুপ্ত রাজনীতি নিয়ে এত হইচই কেন? এটা তো প্রতি কলেজেই হয়।
দেয়ালে লেখা হলেই পুলিশ যাবে? এটা কি law আইনের লঙ্ঘন?
গোপনে রাজনীতি করলে সত্যিই সমস্যা হয়। সবাই যদি support সমর্থন করে খোলামেলা পরিবেশ, ভালো হয়।
একটা দেয়াল লেখা নিয়ে এত রাজনৈতিক বিক্রিয়া? মনে হচ্ছে সবাই খুঁজছে একটা reason কারণ।
ছাত্রশিবির নিজেদের নির্দোষ ভাবাচ্ছে। কিন্তু তারা কি কখনো change পরিবর্তন চেয়েছে?