দেয়ালে লাল আগুন: গুপ্ত রাজনীতি চাই না, দাবি ছাত্রদলের
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের প্রাচীরে আজ বুধবার দুপুরে লাল ও কালো রঙের আগুন জ্বলে উঠেছে—politics নয়, বরং রাজনীতির গোপন ছায়াকে তাড়ানোর দাবি। ছাত্রদলের সদস্যরা wall ভরিয়ে দেয়াললিখন করেছে: ‘গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধ চাই’। এই স্লোগান শুধু কালি নয়, এটি একটি demand , একটি হুঁশিয়ারি, এবং এক সময়ের স্মৃতির প্রতি ইঙ্গিত। ক্যাম্পাসের শান্ত ছবিকে ফাঁড়া দিয়েছে এই protest , যেখানে অতীতের ভূত আবার রাজনৈতিক রূপ নিচ্ছে বলে আশঙ্কা করছে সংগঠনটি।
শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ (রাহী) স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘একাত্তরের রাজাকার বাহিনী’ নাকি এখন নিজেদের ইসলামিক সংগঠন হিসেবে দাবি করছে। এ ধরনের অভিযোগ ক্যাম্পাসে অস্থিরতা তৈরি করছে বলে মনে করেন তিনি। তার কণ্ঠে ক্ষোভ, আর কথায় কথায় উঠে আসছে history —সেই যুদ্ধোত্তর সময়, যখন রাজনীতি ছিল খোলামেলা, আদর্শ ছিল স্পষ্ট। তার হুঁশিয়ারি স্পষ্ট: গুপ্ত রাজনীতি হলে প্রতিরোধ হবে সাংগঠনিক ও আইনি উপায়ে।
সাধারণ সম্পাদক সর্দার জহুরুল ইসলাম আরও এক ধাপ এগিয়ে যান। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে গুপ্ত রাজনীতি স্থান পাবে না। তাদের ভাষায়, এটি কেবল ক্যাম্পাস নয়, পুরো জাতির ব্যাপার। তারা চান ছাত্রশিবির যদি রাজনীতি করে, তা হোক সুষ্ঠু, বাংলাদেশপন্থী, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, স্বচ্ছ। এই দাবি শুধু রাবিতেই নয়—এটি চট্টগ্রামের সিটি কলেজের সংঘর্ষের প্রতিধ্বনি, যেখানে গুপ্ত রাজনীতি নিয়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছিল।
সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল মিঠু বলেন, তারা বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, কিন্তু গোপন পরিচয় নিয়ে রাজনীতি করা নৈতিকতার বিরোধী। তার কথায় একটি প্রশ্ন লুকিয়ে আছে: কেন কেউ নিজেকে লুকায়? তাদের কর্মসূচি এখন পর্যায়ক্রমিক—চার-পাঁচটি জায়গায় event হবে। কিন্তু প্রতিটি লাল অক্ষর একই কথা বলছে: পরিচয় লুকোনো রাজনীতি আর চলবে না।
গুপ্ত রাজনীতি বন্ধের দাবি ঠিক আছে, কিন্তু জবাবদিহিতা কোথায়? সবাই অভিযোগ করছে, কিন্তু প্রমাণ?
ছাত্রদল কি ভুলে গেছে যে তারাও ক্যাম্পাসে নানা সময়ে গোপন কর্মসূচি করেছে? দ্বৈতনীতি চলবে না আর।
দেয়াললিখন হলো expression অভিব্যক্তি, কিন্তু সংলাপের দরজা খোলা থাকা জরুরি।
সিটি কলেজের ঘটনা মাথায় রাখলে বোঝা যায়, এটা কেবল রাবির ব্যাপার নয়। pattern ধারাবাহিকতা আছে।
ইতিহাস মনে করানো জরুরি, কিন্তু বর্তমান প্রজন্মকে দায়ী করা কি ন্যায়সঙ্গত?
ক্যাম্পাসে শান্তি চাই। রাজনীতি থাকুক, কিন্তু violence সহিংসতা নয়।
দেয়ালে লেখা মুছে ফেলা যায়, কিন্তু অন্তরের অস্থিরতা কে মুছবে?
গুপ্ত রাজনীতির বিরুদ্ধে কণ্ঠ তোলা ভালো, কিন্তু কি solution সমাধান দেবে তারা?