হামলার জেরে ইরাকের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে সৌদি আরবের কড়া প্রতিবাদ
সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রবিবার formal protestটি জানাতে ইরাকের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে। ইরাক থেকে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে, যা সৌদি আরব এবং উপসাগরীয় অন্যান্য দেশগুলোর নিরাপত্তাকে riskটা বাড়িয়েছে। সরকারি মিডিয়া জানায়, এই action প্রাদেশিক অস্থিরতার মধ্যে একটি তীব্র কূটনৈতিক সংকেত।
সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) বলেছে, মন্ত্রণালয় strongly condemned জানিয়েছে ইরাকের মাটি থেকে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর ঘটনাকে। এ সময়ের একটি meeting ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে, যা ঘটনাটির seriousness নির্দেশ করে।
এই প্রতিবাদটি এল যুক্তরাষ্ট্রের একই ধরনের অভিযোগের কয়েকদিন পরে, যা ইঙ্গিত দেয় যে ইরাক pressure মুখে পড়েছে। ইরানপন্থী গোষ্ঠীগুলো ইরাকে অবস্থান করে, এবং তাদের লক্ষ্য করা হয়েছে মার্কিন দূতাবাস ও অন্যান্য স্বার্থগুলোকে — যা দেশটিকে conflict মধ্যে জড়িয়ে দিয়েছে।
যদিও বুধবার ইরানপন্থী গোষ্ঠীগুলো ঘোষণা করেছে যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে temporary truce পর তারা হামলা suspended করছে, তবু উপসাগরীয় দেশগুলোর security নিয়ে আশঙ্কা কমেনি। এই অবস্থার মধ্যে সৌদি আরবের এমন decision আঞ্চলিক tension আরও বাড়াচ্ছে।
আসলে ইরাক নিজেই এখন হামলার মধ্যে আটকা পড়েছে। ভেতরে ইরানপন্থী, বাইরে মার্কিন চাপ — একটা delicate balance নাতিশীতোষ্ণ ভারসাম্য রাখা কঠিন।
সৌদি আরব আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে, কিন্তু কী হবে এরপর? শুধু diplomatic pressure কূটনৈতিক চাপ নাকি কিছু বাস্তব response প্রতিক্রিয়া?
আমি দুবাইতে থাকি। এখানকার মানুষ খুব ভয় পাচ্ছে। যদি হামলা চালু থাকে, তাহলে market বাজার আরও instability অস্থিরতা দেখবে।
সেভাবে দেখলে ইরাক কিন্তু পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না তার মাটিতে কী হচ্ছে। কিন্তু তারপরও আন্তর্জাতিক trust আস্থা তাদের ওপর থাকা উচিত।
এই হামলা কি সত্যিই ইরাক থেকে হচ্ছে নাকি কেউ তাদের মাধ্যমে লুকিয়ে আক্রমণ করছে? একটা প্রতিনিধি সংঘাত চলছে কি না, সেটা বোঝা জরুরি।
যতদিন না ইরান আর যুক্তরাষ্ট্র স্থায়ী সমাধান করে, ততদিন এই regional tension আঞ্চলিক উত্তেজনা থাকবেই। দুঃখের বিষয়, অন্য দেশগুলো তার মধ্যে আটকা পড়ছে।