ইরান যুদ্ধের সবচেয়ে বড় পরাজিত পক্ষ ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়তো ঘোষণা করছেন victory পেয়েছেন, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এই সংঘাত তার তিনটি মূল goal —ইরান ভাঙার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি, শাসনব্যবস্থা উৎখাত, এবং পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধ—কোনোটাই পূরণ করেনি। তার হুমকি ও পোস্টের পিছনে লুকিয়ে আছে ব্যর্থতার reality । এখন তিনি অনুভব করছেন, এই যুদ্ধ শুরু করাই ছিল ভুল, এবং পুনরায় লড়াইয়ে ফিরলে market আতঙ্কিত হবে—যা তিনি এড়াতে চান।
ইরান শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও আন্তর্জাতিক আলোচনায় তাদের অবস্থান দৃঢ় হচ্ছে। তাদের বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনী নেই, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রায় শেষ, কিন্তু তবুও তারা হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করে নতুন রাজনৈতিক leverage তৈরি করেছে। এখন তারা মাশুল দাবি করছে, এবং ট্রাম্প সেই আয় share করার কথাও ভাবছেন—যা মার্কিন নীতির এক স্পষ্ট অধঃপতন।
এই যুদ্ধ আঞ্চলিক নিরাপত্তা নষ্ট করেছে। ইরান এখন পারমাণবিক সম্পদ আরও সংরক্ষিত রাখছে—৪০০ কেজি উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যা দশটি বোমা বানানোর জন্য যথেষ্ট। ট্রাম্প চাইছেন তারা এই material ছেড়ে দিক, কিন্তু ইরানি নেতা এখন আরও motivated হয়েছে পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে। এটি আঞ্চলিক পারমাণবিক প্রতিযোগিতার দিকে নিয়ে যেতে পারে—একটি ভয়াবহ outcome ।
ইসরায়েলও এই যুদ্ধে নিজের সীমা অনুভব করেছে। তারা আগে কখনো এত শক্তিশালী ছিল না, কিন্তু তাদের আক্রমণ এখন আঞ্চলিক ভীতি ও hatred ছড়িয়েছে। মার্কিন জনমতে ৬০ শতাংশ মানুষ এখন নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে—গত বছরের চেয়ে ৭ শতাংশ বেশি। এটি তাদের isolation দুর্বল করছে।
আমেরিকা এখন নৈতিক কর্তৃত্বের সঙ্গে সামরিক শক্তির মিশ্রণ হারিয়েছে। ট্রাম্প ইরানি সভ্যতা মুছে ফেলার হুমকি দিয়েছেন—এক ধরনের গণহত্যা—এবং নৈতিকতাকে weakness হিসেবে দেখেন। এটি আন্তর্জাতিক আইন, জেনেভা কনভেনশনের লঙ্ঘন। 'জোর যার মুলুক তার'-এর নীতি শুধু পররাষ্ট্রনীতির অবমাননা নয়, এটি একটি delusion । শক্তি ন্যায়ের বিকল্প নয়।
যুদ্ধটি ইরানের শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রেখেছে, যদিও তারা ভেঙে পড়ার কোঠায় ছিল। আয়াতুল্লাহ খামেনির অসুস্থতায় উত্তরাধিকার সংকট ছিল, কিন্তু যুদ্ধ তা ত্বরান্বিত করেছে এবং ক্ষমতা এখন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের হাতে। তারা যুদ্ধংদেহী nationalism , যা ভবিষ্যতে আরও উত্তেজনার আশঙ্কা তৈরি করছে।
ট্রাম্প যখন বাজারের pressure চাপ নিয়ে ভাবছেন, তখন বোঝা যাচ্ছে তার সিদ্ধান্ত নৈতিকতায় নয়, অর্থনীতিতে ভিত্তি করে।
যুদ্ধে ইরান হারলেও তারা কূটনীতিতে জিতেছে। হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করে তারা এখন দরকষাকষির আসনে।
আমেরিকার জন্য এটা একটা wake-up জাগরণ—শুধু শক্তি দেখালে সব সমস্যা সমাধান হয় না।
পারমাণবিক উপাদান নিয়ে ট্রাম্পের দাবি অবাস্তব। ইরান এখন আরও determined দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হবে।
ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন জনমত খারাপ হচ্ছে—এটা তাদের দীর্ঘমেয়াদী strategic কৌশলগত ক্ষতি।
কারা বিজয়ী? কেউ নয়। এই যুদ্ধে সবচেয়ে বড় পরাজিত হলো নৈতিকতা আর আন্তর্জাতিক আইন। তারা কোথায় gone গেল?