পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা ইরানের সেনাবাহিনীকে নিয়ে
শনিবার জাতীয় সেনাবাহিনী দিবসের উপলক্ষে new message দিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর সাহস এবং sovereignty রক্ষায় তাদের অটুট মনোবলের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী শুধু একটি সামরিক গঠন নয়, বরং এটি জাতির মর্যাদা, শক্তি এবং স্বাধীনতার প্রতীক।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে hostile pressure থেকে দেশকে রক্ষা করতে সেনাবাহিনী এক stronghold হিসেবে দাঁড়িয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বিশেষ করে সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর দৃঢ় অবস্থানকে তিনি praiseworthy বলে আখ্যায়িত করেন।
পেজেশকিয়ান জোর দিয়ে বলেন, ইসলামী বিপ্লবের আদর্শ এবং দেশমাতৃকা রক্ষার জন্য প্রতিটি সেনা member অঙ্গীকারবদ্ধ। তারা মুহূর্তের জন্যও দ্বিধাগ্রস্ত হয়নি এবং শত্রুদের প্রতি আঘাতের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিয়েছে। তিনি national strength হিসেবে সেনাবাহিনী এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)-কে দুটি শক্তিশালী বাহু বলে অভিহিত করেন।
প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, এই দুটি বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান coordination এবং বুদ্ধিবৃত্তিক উপস্থিতি শত্রুদের জন্য একটি স্পষ্ট warning । তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও মানবিক সংকটে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সেনাবাহিনীর উদ্ধার তৎপরতা এবং relief efforts সম্পর্কে।
এই message বার্তাটি শুধু অভ্যন্তরীণ প্রচার নয়, আন্তর্জাতিক শত্রুদের প্রতি একটি স্পষ্ট signal সংকেত।
সেনাবাহিনীকে এভাবে জাতীয় প্রতীক হিসেবে দাঁড় করানো হচ্ছে, কিন্তু public trust জনগণের আস্থা কতটা আছে তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।
মার্কিন-ইসরায়েলি pressure চাপ কমছে না, তাই এমন বক্তব্যের মাধ্যমে national unity জাতীয় ঐক্য তৈরি করা হচ্ছে।
সেনাবাহিনী যে শুধু যুদ্ধেই নয়, disaster response দুর্যোগ মোকাবিলায় ভূমিকা রাখে, সেটা মনে করিয়ে দেওয়া ভালো হয়েছে।
এত কথা বললেও, real cost প্রকৃত খরচ কে বহন করছে? সাধারণ মানুষের উপরেই না?
এই ধরনের rhetoric বক্তৃতা প্রতি বছর হয়, কিন্তু actual impact প্রকৃত প্রভাব কতটা, সেটা কে মাপবে?