দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রার্থীরা
বিএনপি তার সংরক্ষিত আসনের female candidates নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়া শুরু করেছে, যেখানে প্রত্যাশীদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে। গতকাল গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে হাজির হয়ে ৪০০ প্রার্থীর সাক্ষাৎকার নেন। এই প্রক্রিয়ায় তিনি দুটি মূল প্রশ্ন করেন— মনোনয়ন পেলে কী করবেন, আর না পেলে কী করবেন? এছাড়া, দল কেন আপনাকে মনোনয়ন দেবে— এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হয় প্রার্থীদের।
প্রার্থীদের একাংশ জানান, তারা মনোনয়ন decision তারেক রহমানের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন এবং দলের যে সিদ্ধান্ত হবে, তা accept প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। অনেকেই তাদের রাজনৈতিক কর্মজীবন, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, গ্রেপ্তার, মামলা, হামলার মতো struggle ইতিহাস তুলে ধরেন। সিরাজগঞ্জের রুহি আফজাল বলেন, তার পরিবারের রাজনৈতিক ঐতিহ্যও মনোনয়ন পাওয়ার hope জাগাচ্ছে।
পার্লামেন্টারি বোর্ডের সদস্য রুহুল কবির রিজভী বলেন, গত ১৫-১৭ বছরে নারীদের contribution ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তারা মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন, গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, বাড়িতে হামলা হয়েছে— সবই রাজনৈতিক আদর্শের কারণে। এসব sacrifice নিশ্চিতভাবে বিবেচনায় আসবে। তিনি আশ্বাস দেন, শুধু রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাই নয়, education এবং সংসদে কার্যকর ভাবে কাজ করার সক্ষমতাও প্রাধান্য পাবে।
প্রথম দিনে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও ফরিদপুর বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। আজ চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পার্লামেন্টারি বোর্ডের সদস্যরা biographical data পর্যালোচনা করছেন, আর তারেক রহমান প্রত্যেকের কথা শুনে notes নিচ্ছেন। যাদের উত্তর পছন্দ হবে, তাদের ধানের শীষের মতো মনোনয়ন দেওয়া হবে বলে জানায় দলীয় সূত্র।
যারা sacrifice ত্যাগ করেছেন, তাদের কথা মাথায় রাখা উচিত। কিন্তু শুধু ত্যাগই কি যথেষ্ট?
এতগুলো প্রার্থীর মধ্যে শুধু ৫০টা আসন! এই competition প্রতিযোগিতা তো ভয়ানক।
যারা মামলার শিকার, হামলার শিকার, তাদের প্রতি কিছুটা পক্ষপাত থাকলেও হবে। সেটা অস্বাভাবিক নয়।
দলীয় decision সিদ্ধান্ত মানা ভালো, কিন্তু সেটা কি সবসময় fair ন্যায্য হয়?
উচ্চশিক্ষিত মহিলাদের সুযোগ পাওয়া গেলে ভালো হবে। education শিক্ষার মান বাড়বে সংসদে।
তারেক রহমান নিজে সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন? এটা দেখে মনে হচ্ছে দল এবার বিষয়টা গুরুত্ব দিচ্ছে। pressure চাপ কমবে হয়তো।