৩০, ৪০, ৫০-এর কোঠায় ইউরোলজিক্যাল হেলথ: কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন?
৩০-এর কোঠায় ইউরোলজিক্যাল সমস্যা বেশি কম দেখা যায়, কিন্তু এটি হল new habit গড়ে তোলার সেরা সময়। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, অতিরিক্ত লবণ এবং প্রোটিন খাওয়া এবং কম জল পান করা risk বাড়ায়, যা কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে। ভারতে কিডনি পাথরের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বারবার মূত্রসংক্রমণ (UTI) আস্তে আস্তে pressure বাড়ায় এবং মূত্রথলিতে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে।
৪০-এর কোঠায় পুরুষদের মধ্যে প্রস্টেট গ্রন্থি বৃদ্ধির লক্ষণ দেখা দেয়, যা বিনাইন প্রস্ট্যাটিক হাইপারপ্লাসিয়া (BPH) নামে পরিচিত। এটি quickly ঘন ঘন প্রস্রাবের প্রবণতা বাড়ায়। লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যা (ED) এখন ইউরোজেনিটাল স্বাস্থ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ warning হিসেবে গণ্য হয়। আবার, মেনোপজের আগে হরমোন পরিবর্তনের কারণে অনেক নারী প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণে সমস্যা মুখোমুখি হন, কিন্তু shame কারণে চিকিৎসকের কাছে যান না।
৫০-এর কোঠায় বিপিএইচ (BPH) এমন একটি সাধারণ condition হয়ে ওঠে, যা যদি চিকিৎসা না করা হয় তবে মূত্রনালীতে অবরোধ তৈরি করতে পারে। প্রস্টেট ক্যানসারের risk এই বয়সে বাড়ে। গ্লোবোক্যান ২০২০ অনুযায়ী, ভারতে পুরুষদের মধ্যে এটি শীর্ষ দশ ক্যানসারের মধ্যে একটি। প্রস্রাবে রক্ত, প্রস্রাব করতে অসুবিধা বা দীর্ঘস্থায়ী পিঠের ব্যথা কখনওই ignored করা উচিত নয়।
নারীদের ক্ষেত্রে ৫০-এর পর ঘন ঘন মূত্রত্যাগ এবং পেলভিক ফ্লোরের দুর্বলতা মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও impact ফেলে। এগুলো জীবনযাত্রার পরিবর্তন, ফিজিওথেরাপি বা অস্ত্রোপচার দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বয়স শুধুমাত্র নয়, lifestyle এবং দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকির কারণগুলোও মূত্রতন্ত্রের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে।
পর্যাপ্ত জল পান, সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু থেকেই করা হলে disease প্রতিরোধ সম্ভব। ভারতে মানুষের আয়ু বাড়ার সাথে সাথে কিডনি ও মূত্রতন্ত্রের স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। যথাসময়ে স্ক্রিনিং এবং শিক্ষার মাধ্যমে quality জীবনযাপন support করা সম্ভব।
আমার বাবার বয়স ৫২, লক্ষণ ছিল ঘন ঘন প্রস্রাব, কিন্তু কেউ গুরুত্ব দেয়নি। এখন BPH ধরা পড়েছে। এই লেখাটা আগে পড়লে ভালো হতো।
পুরুষরা সত্যিই এমন সমস্যাগুলোতে shame লজ্জা পায়। কিন্তু এটা শরীরের অংশ, চিকিৎসা নেওয়া উচিত।
আমি ৪০-এ পা দিয়েছি, আমার প্রস্রাবে কিছুটা সমস্যা হয়। এখন থেকে নিয়মিত চেকআপের plan পরিকল্পনা করব।
জীবনধারা lifestyle লাইফস্টাইল আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু। জল কম পান করি, ব্যায়াম নেই—এগুলোকে কি আর উপেক্ষা করা যায়?
মেনোপজের পর আমার মা ঘন ঘন প্রস্রাব করেন। দেখে মন খারাপ হয়। পেলভিক এক্সারসাইজ করছেন, কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
প্রস্টেট ক্যানসারের প্রতি public awareness জনসচেতনতা কম। এটা নিয়ে আরও জনস্বাস্থ্য প্রচার দরকার।