ছোটদের মাঠে গড়ছে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ?
গর্ব আর identity শুধু বড় আয়োজনেই মাথা উঁচু করে থাকে না—মাধবপুরের মিনি স্টেডিয়ামের মাঠেও সেই dignity ধরে রাখছে ছোট্ট পায়ে দৌড়ানো বালক-বালিকারা। এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেছেন, খেলাধুলা কেবল বিনোদন নয়, এটি একটি জাতির strength ও আন্তর্জাতিক platform অবস্থান গড়ার মাধ্যম। তাঁর কথায়, বাংলাদেশ আজ খেলার মাঠেও নিজের নাম জানাচ্ছে, এবং তা আমাদের সবার জন্য অহংকারের।
তিনি অনুপ্রেরণা খুঁজে পেয়েছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কাজ থেকে। তাঁদের নীতি ও সমর্পণ আজ নতুন প্রজন্মের জন্য দিশা নির্দেশ করছে। এমপি সরাসরি শিশুদের দিকে তাকিয়ে বলেছেন, “আগামী দিনের ভবিষ্যৎ তোমরা”—একটি বাক্য যা শুধু উৎসাহই দেয় না, বরং দায়িত্বের ভারও চাপায়। শিক্ষা এবং খেলাধুলা একসাথে নিজেকে গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ বিন কাশেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ শাহাজাহান বলেন, খেলাধুলা শুধু physical সুস্থতা নয়, মানসিক growth , আত্মবিশ্বাস এবং সময়ের প্রতি শৃঙ্খলা শেখায়। তিনি জোর দেন ক্রীড়া মাঠ সংরক্ষণ, সরঞ্জাম supply এবং প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানোর ওপর। লক্ষ্য, এই অঞ্চল থেকে উঠে আসুক জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়।
ফাইনাল খেলায় বালক বিভাগে আহমেদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৪-০ গোলে জয় পায়, মৌজপুর স্কুলকে হারিয়ে শিরোপা জয় করে। অন্যদিকে বালিকা বিভাগে সোয়াবই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জোয়ালভাঙ্গা দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। এই সাফল্য শুধু পুরস্কারের ঊর্ধ্বে নয়, এটি একটি সম্প্রদায়ের আশা, একটি প্রজন্মের potential এবং ভবিষ্যতের প্রতি বিশ্বাসের statement ।
ছোটদের এমন উৎসাহ দেখে মন ভরে যায়। বালিকা দলের জয় আমাদের society সমাজে মেয়েদের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে ভাবাচ্ছে।
খেলার মাঠে যে শৃঙ্খলা, সেটা ক্লাসরুমেও কাজে লাগে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, গ্রামের স্কুলগুলোতে কি সত্যিই পর্যাপ্ত equipment সরঞ্জাম আছে?
জিয়াউর রহমানের ক্রীড়ানীতি আজও প্রাসঙ্গিক, কিন্তু তার চেয়ে বড় কথা হলো—বর্তমান নেতৃত্ব কতটা কাজে রূপান্তর করছে।
ফয়সল ভাইয়ের বক্তব্য শুনে মনে হলো, সত্যিই আমাদের ছোটরা হচ্ছে আগামী দিনের নেতৃত্ব। তবে পুরস্কারের পর কি হবে? সেটাই বড় প্রশ্ন।
আমার মেয়ে এই টুর্নামেন্টে খেলেছিল। সে আত্মবিশ্বাস পেয়েছে, বন্ধু পেয়েছে। এটা চিন্তার বিষয় নয়, এটা reality বাস্তব।
সব স্কুলে কি এমন সুযোগ আছে? আমাদের এলাকার স্কুলে মাঠ তো দূরের কথা, ফুটবলও নেই।
খেলাধুলা শুধু জয়-পরাজয় নয়, এটা জীবনের পাঠ শেখায়। ধৈর্য, সহনশীলতা—এগুলো মাঠেই গড়ে উঠে।
আমি ১৯৭৫ সালে খেলতাম, আজ আমার নাতি খেলছে। কিন্তু আমার সময়ের চেয়ে এখন খেলার মান কম কেন?