মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সম্ভাবনায় স্বস্তিতে বিশ্ববাজার
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির আশায় global market একটু হাঁপ ছাড়ল। আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে US dollar এর আধিপত্যে ভাটা পড়েছে, কারণ ইরান ও তার প্রতিবেশী দেশগুলোতে যুদ্ধ পরিস্থিতি কমে আসার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দুই সপ্তাহ ধরে ডলারের মূল্য পতনের মুখে পড়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে pressure তৈরি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি হওয়া এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইরানের সঙ্গে আলোচনার ইঙ্গিত এই decision নেওয়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে new hope তৈরি হয়েছে, যার ফলে অনেকে risk এড়াতে ডলারের বদলে অন্যান্য মুদ্রায় investment শুরু করেছেন।
এশিয়ার লেনদেনে প্রধান মুদ্রাগুলো এখন বেশ স্থিতিশীল। ইউরো ও ব্রিটিশ পাউন্ড গত সাত সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানের কাছাকাছি পৌঁছেছে। ওসিবিসি ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিশ্লেষক সিম মোহ সিওং বলেন, "বাজার এখন স্থিতিশীল, কারণ যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা আগেই মূল্যে reflected হয়েছে। আরও বড় পরিবর্তনের জন্য নতুন কোনো impact প্রয়োজন।"
অস্ট্রেলিয়ান ডলার চার বছরের উচ্চতম অবস্থানে রয়েছে, কিন্তু জাপানি ইয়েনের বিপরীতে ডলার সামান্য বেড়ে ১৫৯.২৬-এ দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত থাকলে জ্বালানি তেলের price বাড়তে পারে, যা মুদ্রাস্ফীতিতে impact ফেলবে।
তবে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ এখন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং চলতি বছরে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সম্ভাবনা রয়েছে। জি-৭ দেশগুলোর অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নররা ঘোষণা করেছেন যে, তারা fuel supply জনিত যেকোনো risk মোকাবিলায় প্রস্তুত। সব মিলিয়ে, ডলারের দাপট কমায় global economy আপাতত স্বস্তির সুবাতাস বইছে।
ডলারের decline পতন দেখে আমাদের রপ্তানিকারকদের জন্য সুযোগ হতে পারে, কিন্তু আমদানি মহার্ঘ হবে। কী ভারসাম্য বজায় রাখা যায়?
যুদ্ধবিরতি হওয়ায় public trust জনআস্থা ফিরছে, সেটা বাজারে প্রতিফলিত হচ্ছে। কিন্তু এটা কি স্থায়ী হবে, নাকি আবার উত্তেজনা বাড়বে?
বিনিয়োগকারীরা ডলার ছেড়ে অন্য মুদ্রায় ঝুঁকছে, কারণ safe investment নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে এর আস্থা কমছে। আসলে রাজনীতি আর অর্থনীতি কখনো আলাদা হয় না।
ডলারের চাহিদা কমছে শুনে খুশি হওয়া উচিত, কিন্তু আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এটা জটিল। fuel price জ্বালানির দাম বাড়লে সব মহার্ঘ হবে।
ফেড যদি সুদের হার না বাড়ায়, তাহলে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কিন্তু ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা যদি ফিরে আসে, তখন কী হবে?
জি-৭ বলছে তারা সব ঝুঁকির মোকাবিলায় প্রস্তুত, কিন্তু বাস্তবে কী করবে? prepared প্রস্তুত থাকার কথা বলা আর কাজে করা আলাদা।