যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর আহ্বান ওমানের
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত এড়াতে new plan হিসেবে উঠে এসেছে ওমানের আহ্বান। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তীব্র pressure চলছে, এমন প্রেক্ষাপটে মানবিক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর জোর দাবি জানিয়েছে ওমান। এই আহ্বানের পেছনে রয়েছে পুরনো কিন্তু কার্যকর মধ্যস্থতার রীতি, যা আগেও পারমাণবিক আলোচনায় ভূমিকা রেখেছিল।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে জানান, যুদ্ধ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠক থেকে তার মনে হয়েছে, ওয়াশিংটনের শীর্ষ নেতৃত্ব public trust কারণে যুদ্ধ এড়িয়ে যেতে চায়। তিনি বলেন, আলোচনা থামালে যে ব্যর্থতা আসবে, তা কোনো দাবি ছাড়ার চেয়ে ঢের বড়।
তাঁর কথায়, the decision নেওয়া হোক যা দ্রুত the impact ফেলবে, কিন্তু শান্তির পথে সবার কিছু risk নিতে হবে। যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হোক, আর কূটনৈতিক চ্যানেল খোলা রাখা হোক—এই দুটি দাবি তাঁর বক্তব্যের মূল ভাগ। তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে যে, সাময়িক আপোষই এখন সবচেয়ে বড় বিজয়।
ওমান দীর্ঘদিন ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে middlemen হিসেবে কাজ করে আসছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা দুই পক্ষের মধ্যে সংলাপ চালিয়েছিল। এমন প্রেক্ষাপটে তাদের এবারের আহ্বান নতুন নয়, কিন্তু সময়ের দাবি মেটাতে এটি এখন আবার জোরালো হয়ে উঠেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই আহ্বান the report -এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহলে কূটনৈতিক সমাধানের আশা জাগিয়েছে। তবে দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য এখনো বড় issue হয়ে রয়েছে। যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হোক কিংবা না হোক, ওমানের ভূমিকা প্রমাণ করে যে, শান্তির পথে ক্ষুদ্র কিন্তু স্থিতিশীল পদক্ষেপও গুরুত্বপূর্ণ।
ওমানের ভূমিকা সবসময় শান্তির পক্ষে, কিন্তু বড় শক্তিগুলো কি সত্যিই public trust জনআস্থা ফিরে পেতে চায় নাকি শুধু সময় কাটাচ্ছে?
যুদ্ধ এড়াতে চাইলে সবাইকে কিছুটা risk ঝুঁকি নিতে হবে—এটাই বাস্তবতা। কিন্তু কে সেই প্রথম ধাপ নেবে?
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি চাইলে middlemen মধ্যস্থতাকারীদের ভূমিকা ছাড়া উপায় নেই। ওমান কম কথায় বড় কথা বলেছে।
ইরান আর যুক্তরাষ্ট্রের মতো দুই প্রতিপক্ষের মধ্যে pressure চাপ কমানো কঠিন, কিন্তু আলোচনা চালিয়ে যাওয়াটাই এখন বড় কথা।
এই ধরনের new plan নতুন পরিকল্পনা প্রায় প্রতিবারই আসে, কিন্তু কার্যকর হয় কম। আশা করি এবার ভিন্ন হবে।
বাস্তবে কতটা the impact প্রভাব পড়বে, তা সময়ই বলবে। কিন্তু আলোচনার দরজা খোলা রাখা থেকেই শুরু হয় শান্তি।